নারী আজ কোন পথে
নারী আজ কোন পথে
তাজ উদ্দিন হানাফী
তাজ উদ্দিন হানাফী
[ইসলামে বহু বিবাহ!
বহু বিবাহ নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই।বিশ্বায়নের এই সময়ে শুধু বহু বিবাহের শিরোনাম দিয়েই ধর্মান্ধ করে,ইসলাম থেকে বিচ্যুতি ঘটাচ্ছে।ইন্টি ইসলাম জগত। যুব সমাজে যার প্রবলতা এক ক্যান্সার নামি মারাত্মক ব্যাধির ন্যায়।
সহজ আত্মভোলা মেয়েদের সুকৌশলে বুঝানো হচ্ছে এসব।
কেন তুমি চিন্তা করনা যে, তোমার ইসলাম, একজন পুরুষকে বহু নারীর সান্নিধ্য গ্রহণের সুযোগ দিচ্ছে?তুমি এমন কি অপরাধ করেছ,যার জন্য বহু পুরুষের সান্নিধ্য গ্রহণের সুযোগ দিলোনা?তাহলে কি তোমার ইসলাম বৈষম্য পূর্ণ নয়?ইসলাম কেন নারীদের বৈষম্যর সারিতে রাখবে?তুমি চিন্তা করেছ?আমরা বলি পুরুষ যেমন চার জন মহিলাকে বিবাহ করতে পারে,
একজন নারীও তাই পারে।আমরা এই পৃথিবীকে সুন্দর সাবলীল ভাবে দেখতে চাই।আমাদের আন্দোলনে যোগ দাও,আঘাত কর পুরুষতান্ত্রিক শাসিত এই সমাজে।এমন শ্লোগানে মিছিল কারির সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্বি পাচ্ছে।
চলার পথে একজন ধার্মিকা মহিলাও যখন এমন প্রশ্ন করে তখন বিষয়টি চিন্তার!আসলেও কেন?তা কি বৈষম্য?না সমাজ পরিচালনার সুন্দর কোন সুত্র?
ইসলাম কেন বহু বিবাহের পক্ষে?
ইসলাম বহু বিবাহের পক্ষে হলে কেন সেই পক্ষের দাবি শুধু পুরুষদের ক্ষেত্রে, এমন প্রশ্ন থাকাটা স্বাভাবিক।কেন?
পুরুষ চরিত্রের মধ্যেই রয়েছে শক্তিশালীতা,বির্যবান ক্ষমতাবল।
ওরা নারীদের চেয়ে আত্মিক মানবিক চিন্তক সব দিক থেকেই শক্তিশালী।
একজন পুরুষ কখনো একজন নারী নিয়ে সুখি থাকতে চায়না।
বহু রঙ্গের নারীদের সংস্পর্শ একজন পুরুষের জন্য আকাঙ্ক্ষা থাকে,যখন যে অবস্তায় পাওয়া যায় নারীকে উপভোগ হিসাবেই, একজন পুরুষ পেতে চায়।
পুরুষ চায় বহু নারী,এই গুণ তার সৃষ্টিগত।খোদাপ্রদত্ত।
পুরুষের বহু নারীতে মন ভরে এমন ইতিহাস কে না জানে?
দেখা যায় ইতিহাসে।
নিগ্রো নেতা টান্ডারের একশো স্ত্রী ছিলো, এক হাজার স্ত্রী ছিলো বেনিন রাজার।
উগান্ডার রাজার ছিলো এক হাজারের চেয়ে বেশি পত্নী,
প্রসিদ্ধ খৃষ্টান পণ্ডিত মিষ্টার ডিওনপোর্ট বহুবিবাহের ক্ষেত্রে ইঞ্জিলের কথা বলে তিনি এর প্রশংসা করেন,বহুবিবাহের প্রবর্তক হিসাবে পাদ্রী নিক্সন, জন মিল্টন এবং আইজ্যাক টেইলর জোরালো ভাষায় বহু বিবাহকে সমর্থন করেন,
প্রাচীন ভারতে হিন্দু ব্রাম্রন রা এতো বেশী বিবাহ করত এর হিসাব রাখা দুষ্কর, তারা নিজেরাও জানতে পারতনা তাদের স্ত্রী পন্তীদের হিসাবের সংখ্যা।
হিন্দুদের অবতার রামকৃঞ্চের ছিলো সহস্রাধিক পত্নী।
শত পত্নী এবং স্ত্রীদের নিয়ে বসবাস এখনো এই যুগে রয়েছে পাওয়া যায় বহু ইতিহাস।
শলোমন রাজা ফরোনের (ফেরাউন)
কন্যা ব্যতিরেকে আরও অনেক বিদেশীয়া রমণীকে অর্থাৎ মোয়াবীয়া, আম্মোনীয়া, ইদোমীয়া,সদোনীয়া ও হিত্তিয়া রমণীকে প্রেম করিতেন।
যে জাতিগনের বিষয়ে সদাপ্রভু ইস্রাইল -সন্তানগনকে বলিয়াছিলেন।
তোমরা তাহাদের কাছে যাই ওনা।এবং তাহাদিগকে আপনাদের কাছে আসিতে দিওনা।কেননা তাহারা অবশ্যই তোমাদের হৃদয়কে আপনাদের দেবগনের অনুগমনে বিপথগামী করিবে।
শলোমন তাহাদেরই প্রতি প্রেমাসক্ত হইলেন।
সাত শত রমণী তাঁহার পত্নী ও তিনশত তাহার উপপত্নী ছিলো।
তাহার সেই স্ত্রীরা তাহাকে বিপথগামী করিল।ফলে এইরূপ ঘটিলো শলোমনের বৃদ্ব বয়সে।তাহার স্ত্রীরা তাঁহার হৃদয়কে অন্য দেবগনেরক অনুগমনে বিপথগামী করিল।
তাহার পিতা দাউদের অন্তঃকরণ যেমন ছিল,তাহার অন্তঃকরণ তেমনি আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুর ভক্তিতে একাগ্র ছিল না।কিন্তু শলোমন সীদনীয়দের দেবী অষ্টরতের ও অস্মোনীয়দের ঘৃণার্হ বস্তু মিলকমের অনুগামী হইলেন।এই রুপে শলোমন সদাপ্রভুর দৃষ্টিতে যাহা মন্দ তাহাই করিলেন।আপন পিতা দাউদের ন্যায় সম্পূর্ণ রূপে সদাপ্রভুর অনুগামী হইলেননা"
৬জুলাই ১৯৭৬সালে ইত্তেফাকের একটি নিউজ এমন ছিলো ইরানের ইয়াহিয়া আলী আকবর বেগ নূরী তিনি কতটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এবং কতটি স্ত্রী রয়েছে এর হিসাব তিনি নিজেও জানেননা।ইউরোপ আজ নারী স্বাধিকার আন্দোলনকে বিশ্ব বাজারে তুঙ্গ করে তুললেও।এক নারীতে এরা থেমে নেই,
বহু নারীতে এদের জীবন এমনকি বিবাহ রীতির পীড়িতে ওরা বসতে চায়না।বহু নারীর স্বপ্নে।বহু নারী উপভোগ্য ওদের বিবাহ নীতি ও প্রয়োজন পড়েনি,হাটে ঘাটে রেস্তারায়, মাঠে গাড়িতে, যখন যেখানে নারী উপভোগের সুযোগ রয়েছে।পশ্চিমা দেশে বহু নারী উপভোগ এটি একটি নেশা।এটি সভ্যতাও!একজন পুরুষ এক সাথে কয়েকজন নারীকেও উপভোগ্য করার বিরল দৃষ্টান্ত দেখা যায় ইউরোপে,এটিতো পশ্চিমাদের সংস্কৃতি।তাহলে তারা নারী অধিকার নিয়ে ভাবে কেমন করে।
যেখানে মা ছেলের মধ্যে, বাবা মেয়ের মধ্যে যৌন জীবন স্বাভাবিক। তাহলে কি পুরুষ বহু নারীতে আকাঙ্ক্ষী এটি প্রমাণ হয়না?
বলেছি এটি খোদা পদত্ত্ব,
কিন্তু ইসলাম এমন সভ্যতার পক্ষে না, যে সভ্যতা নারীকে অধিকারের শ্লোগানে পন্য বানাতে ইচ্ছুক।
তাই মোহাম্মদী দর্শনে রয়েছে তার নিদৃষ্ট কিছু থিউরি।
যার আগলোকেই একজন মুসলাম চলতে হবে।চৌদ্দশত বছর আগে যখন ইসলাম বলেছিলো,
চার জন নারীর উপরে বিবাহ করা হারাম।তখনকার সমাজ নিয়ে আজকের সমালোচক বন্ধুদের কি একটুও ধারণা নেই।যখন সমাজের প্রতিটি পুরুষের কাছে একাধিক স্ত্রী বাদি পত্নী, এমনকি স্বয়ং মোহাম্মদের (সাঃ)বিশেষ অনুষারী সাহাবাদের ও রয়েছে বহু স্ত্রী তখন এই ঘোষণা দেয়া কি স্বাভাবিক? এতটাই সহজ!নিজের অনুসারীরা যে কাজে লিপ্ত, সেই কাজের প্রতিরোধ পৃথিবীর কোন সংস্কারক করেছেন?ইতিহাস নেই।
প্রমাণ ও নেই।
সব সংস্কারকরাই ঘনিষ্ট সহচরদের মতেই থিউরি দিয়েছেন।কিন্তু মোহাম্মদ তিনিতো
বিশ্ববাসীর জন্য।ইনসাফ ন্যায় নীতি প্রতিষ্টার জন্য।আল্লাহর পক্ষ থেকে সর্বশেষ ধূত হিসাবে।সকল নীতির শেষ সামাধানের জন্য।
মানব জীবনে কল্যাণের জন্য।
বিধান আসল আল্লাহর পক্ষ থেকে,"বিয়ে করে নাও তাদের মধ্য থেকে দুই তিন বা চারজন করে তোমাদের পছন্দ মত,যদি সুবিচারে ভয় হয় তাহলে একজনকেই বিয়ে কর"
(সুরায়ে নিসা আয়াতঃ৩)
এই একটি আয়াত বহু বিবাহের ক্ষেত্রে, যার অংশ নিয়ে আজকের নাস্তিক জগত ইসলামকে আঘাত করছে বহুমাত্রিকে।
কি বলে এই আয়াত, এই আয়াতের শানে নুজুল
(অবতীর্ণ হওয়ার কারণ)
বা কি?এসব দেখলে হয়তো নাস্তিক বা বহুবিবাহের বিরোধীতা করতে কিছুটা লজ্জিত হবেন।
শানে নুজুল দেখলে বুঝা যায় এই আয়াত একাধিক স্ত্রী গ্রহণের জন্য অবতীর্ণ হয়নি,এই আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার আগ থেকেই এই বিষয়টি বৈধ ছিলো,মূলত ইয়াতীম সুন্দরী মহিলাদের তখন বিবাহ করা হত এবং তাদের বরণ পোষণ তেমন গুরুত্বের সাথে দেয়া হতনা।
তাদের ব্যাপারে যেনো ইনসাফ ন্যায় প্রতিষ্টা স্থাপন হয় সেই উদ্দেশ্য ছিলো।এবং বহুবিবাহ তখন তার কোন নিদৃষ্ট কোন সংখ্যা ছিলোনা যার জন্য নারী সমাজ লাঞ্চিত হতে শুরু করে।
বহুবিবাহের ক্ষেত্রে নিদৃষ্ট সংখ্যা আসে।এর উপর নারী বিবাহ করা হারাম আসে।তাহলে কি এই বিধান আসা অপরাধ হল।
নবী মোহাম্মদ কি অপরাধ করেছেন এই বিধান প্রনয়নে?
দেখি একটি হাদিস এই ব্যাপারে মোহাম্মদ (সাঃ)র একজন সাথি কি বলেন।
হযরত ইবনে আব্বাস (রাযিঃ)
এবং তার শাগরিদ ইকরামা রাযিঃ)
এই আয়াতের তাফসির বলেছেন, জাহেলী যুগে বিবাহের কোন সীমারেখা ছিলনা, একেক ব্যক্তি দশ বিশটি বিবাহ করতো,অধিক সংখ্যক বিবাহের কারণে যখন খরচ বেড়ে যেতো, তখন তারা বাধ্য হয়ে নিজেদের ইয়াতীম ভাগীনা ভাতিজা এবং অন্যান্য অসহায় প্রিয়জনদের অধিকারে হস্তক্ষেপ করত। এই জন্য আল্লাহ তায়লা বিবাহের সীমা চার সংখ্যায় বেধে দিয়েছেন।
একাধিক বিবাহের জন্য ইসলাম আদেশ করেনি।
একাধিক বিবাহ থেকে বাচাতে সংখ্যা নিদৃষ্ট করে দিয়েছে।
চারজন বিবাহের আদেশ তখন যখন প্রত্যেকের ব্যাপারে থাকবে সমান খাবার পরণ রাত্রী জাগরণ সহ সর্বক্ষেত্রে থাকবে ইনসাফ আর ন্যায় তখন কেহ দুটি থেকে চারটি পর্যন্ত বিবাহ করতে পারে।
এখানে নারীদের অধিকার হরণ হয় কোথায় বুঝে আসলনা।
ইসলাম কি এমন অধিকার দিয়েছে পুরুষরা তোমরা চারটি করে বিবাহ কর কোন সমস্যা নেই।যদিও তোমরা ইনসাফ করতে না পার।এমনটি তো বলেনি ইসলাম, এমন কথার প্রবর্তক মোহাম্মদ (সাঃ)নয়।
তাহলে বিরুদ্ধাচার বা কেন?
একাধিক স্ত্রীর প্রয়োজনীয়তাঃ
এটি তো চিরসত্য যে আজকের সমাজে পুরুষের চেয়ে নারীদের সংখ্যা আধিক্য,যদিও পুরুষের সমান তালে নারীদের জন্ম কিন্তু শিশু বয়সেই পুরুষ শিশু কন্যা শিশুর চেয়ে বেশি মৃত্যু বরণ করে,
ঠিক এই ভাবে কিশোর যৌবন কালে গাড়ী এক্সিডেন্ট মদ্যপান সহ বিভিন্ন কারণে পুরুষের মৃত্যু হার বেশি নারীর চেয়ে।
তাইতো আজ পৃথিবীর মানচিত্র নারী সংখ্যা পুরুষের চেয়ে প্রায়১কোটি বেশি,
যেমনঃ আমেরিকায় ছেলেদের তুলনায় মহিলা ৭৮লাখ বেশি আমেরিকায় বিয়ের আগে একজনের ৮জন যৌন সঙ্গি থাকে।রক্ষিতার ব্যাপারে কোন আইন নেই যত খুশি তত।
ইংলেন্ডে ছেলেদের সংখ্যায় মেয়েরা ৪০ লাখ বেশি
জার্মানিতে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা ৫০লাখ বেশি
রাশিয়ায় ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা ৯০ লক্ষ বেশি।
দেখা যায় সেই হিসাবনুপাতে ভারতে মহিলা সংখ্যা আধিক্যতা নেই।এমন কেন?
বিবিসি রিপোর্ট
প্রতিদিন ইন্ডিয়ায় তিন হাজারের
চেয়ে বেশি মহিলা গর্ভপাত করে,
যখন সে জানতে পারে যে তার গর্ভের সন্তানটি মেয়ে।
তার মানে প্রতি বছরে ইন্ডিয়ায় ১০লাখের বেশী মহিলা গর্ভপাত করে যখন জানতে পারে তার গর্ভে সন্তানটি মেয়ে।
রিপোর্টের পরিসংখ্যান করলে দাঁড়ায় প্রতি ১০জনের ৪জন মেয়েকে জন্মের আগেই হত্যা করা হয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানিতে পুরুষের চেয়ে মহিলা
ছিল ৭৩,০০,০০০ বেশি।
তন্মধ্য ৩৩ লক্ষ বিধবা।
সেখানে২০ থেকে ৩০ বছর বয়সী ১০০ জন পুরুষ ছিল
সমবয়সী ১৭৬ জন মহিলার মহিলার বিপরীতে।
(John D'Emilio and Estelle B. Freedman, Intimate
Matters: A history of Sexuality in America (New
York: Harper & Row Publishers, 1988) p. 87.,)
সে সেময় তাদের মধ্যকার অনেকেই পুরুষের প্রতি শুধু
জীবনসঙ্গী হিসাবে নয়; বরং অভাবের তাড়নায়
ভরনপোষণকারী হিসাবেও তাদের মুখাপেক্ষী ছিল।
বিজয়ী সেনারা এ সমস্থ মহিলাদের থেকে সুবিধা ভোগ করত
প্রচুর সংখ্যক যুবতী ও বিধবা
মহিলা দখলদার সেনাদের সাথে
অবৈধ দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।
আমেরিকা ও ব্রিটিনের অধিকাংশ সৈন্য তাদের সাথে অবৈধ দৈহিক সম্পর্ক তৈরী করে বিনিময়ে তাদেরকে সিগারেট চকলেট বা রুটি প্রদান করত।
ছোট বাচ্চারা এই উপহার গুলো খুব খুশি হতো।
১০বছর বয়সি একজন শিশু সমবয়সী শিশুদের কাছে এধরণের উপহার দেখে আকাঙ্ক্ষা করত, কোন ইংরেজ যদি তার মাকে এমন কিছু দিত
তাহলে তারা ক্ষুধার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতো।
( Ute Frevert, Women in German History: from
Bourgeois Emancipation to Sexual Liberation (New
York: Berg Publishers, 1988) pp. 263-264,)
যখন পৃথিবীতে পুরুষের চেয়ে মহিলাদের সংখ্যা এতোই বেশি।
যেখানে একটি করে পুরুষ বিবাহ করলে।প্রায় ৫০কোটি মহিলা থাকবে নিষঙ্গ স্বামীহীনা।
পুরুষহীনা একজন মহিলার জন্য জীবন যাপন করা কি সহজ।তাদের কি দৈহিক জৈবিক চাহিদা নেই?
যৌন বিজ্ঞান বলে একজন নারী সারাজীবন কুমারী থাকতে পারেনা।তাহলে কিভাবে এই মহিলাটি একজন পুরুষের সঙ্গ নিবে।যখন প্রত্যেকের একেকজন করে স্ত্রী থাকবে।সব মিলিয়ে কোন জ্ঞানিই যারা সত্যিকারেই একজন মহিলার স্বাধিকার চায়।সে এক বিবাহ বাধ্যতামূলক করতে সাহস পাবেনা।এবং এর বিপরীতে যৌক্তিও উঠাবেনা।কিন্তু না সমাজের রন্ধে এমন কিছু জীব রয়েছে যাদের চিন্তা বিবেক জ্ঞান সবই যেনো পরিমাপ্ত নয়।যেনো বিকৃত বিবেকের ধ্ববজারি।
তারা অধিকার তুলে নারীদের ব্যাপারে,বুঝেও বহুনারী গ্রহণকে বাধাপ্রাপ্ত করে।
সমাজের পতিতাবৃত্তি সমৃদ্ব করতে চায়।সম্মানিতা মহিলাকে অনেকের ভোগের পাত্রী বানাতে চায়,তারাই আন্দোলন তুলছেন।
বেচে থাকার অধিকার তুলে জনগনের সম্পদ হতে আহবান করছেন।বহুবিবাহে বাধাপ্রধান করছেন,পশ্চিমা আইন কতইনা আশ্চর্য!বহুবিবাহ নিষিদ্ধ, কিন্তু ব্যভিচার আজ সেখানে সিদ্ধ!
ইসলাম বিদ্বেষীরা ইসলামের বহুবিবাহের ইস্যু নিয়ে মাঠে নামাচ্ছেন,এদেশের বহু নারীকে, যারা তাদের মননে চলে,কথা বলে তাদের ছলে।
মাঠে নেমেছেন শ্লোগান দিচ্ছেন,তারা কি কখনো এই কথা ভেবেছেন?এই বহুবিবাহে মুসলমানদের সংখ্যা কত?হে ভারতবর্ষে বহুবিবাহে মুসলমানের সংখ্যা শতকরা ৫%
তাহলে এটি কি আশ্চর্য কথা হলনা হাতে গনা এই কয়েকজন ব্যক্তি ইসলামের চাহিদানুযায়ী
স্ত্রীকে ভরণ পোষণ দিতে পারছে।
কিন্তু ইসলাম ন্যায়ের উপর জোর দেয়াতে অন্য মুসলমানেরা আজ তা থেকে বিরত।
যৌক্তিক আলোকে যদি একটি প্রশ্ন করা হয়,একজন ব্যক্তির একজন স্ত্রী তার সাথে মহানন্দের সাথে স্বামীর দিনাতিপাত করছে।
কিন্তু স্ত্রীর সমস্যা তার কোন সন্তান হচ্ছেনা,এমতাবস্থায় এই স্ত্রীকে তালাক বা ডিভোর্স দেয়া ও সম্ভব নয়।তাহলে এই স্বামী কি করবে? কি তার সমাধান?
তার জীবনের ব্যাপারে কি রোল থাকতে পারে।
হয়তো কোন নাস্তিক বা ধর্মদ্বেষী বলবে আজকের গ্লোবালে ইনজেকশন দিয়েতো সন্তান গর্ভে নেয়া যায়,সেটি করবে।তাহলে এটি কার সন্তান হল,নীতিগত ভাবে এটি কি জারজ সন্তান হলনা।কতইনা নগ্ন তাদের সমাজ, যেখানে বীর্য বেচা হয়।একটি পুরুষের বীর্য থেকে আশিটি সন্তানের জন্ম হয়েছে।এটি কি সভ্যতা! এখানো তো মহিলার সমস্যা ইনজেকশন দিয়ে কাজ হবেনা।কি করবে স্বামী।বিরুদ্ধাচার সমাজ সমাধান? আসলে তখন নিরুত্তর হবে।সমাধান তখন ইসলামে তুমি আরেকটি বিবাহ কর।তবে সাবধান ন্যায় ইনসাফ যেনো থাকে।
ফ্রান্সের সমাজ বিজ্ঞানী প্রফেসর ডক্টর যোসেফ লুবুন বলেনঃ “প্রাচ্যদেশে (তিনি ইসলামকে বুঝিয়েছেন) যে বহুবিবাহ প্রথা চালু আছে এটা একটা সুন্দর নিয়ম। এতে সে জাতির মাঝে চারিত্রিক অবকাঠামো উন্নতি হয়, পারিবারিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়, নারীরা সম্মান ও সুখী হয়, যা আমরা ইউরোপীয় দেশগুলোতে দেখিনা”
একজন পুরুষ দুয়ের মাঝে কোন পার্থক্য ছাড়াই একাধিক নারীকে ভালবাসতে পারে। সি,এন, এন এর ওয়েবসাইটে মার্কিন ইউটা ভার্সিটির মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক লিজা ডায়মন্ড বলেছেনঃ
"জীব বিজ্ঞানে অনেক দলিল প্রমান রয়েছে যে, যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে পুরুষদের একাধিকের প্রতি যে চাহিদা, তা তাদের শারীরিক গঠনগত চাহিদার দাবি"
বৃটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক ২০০৭ সালে তাদের এক গবেষণায় বলেছেনঃ
"নারীরা পুরুষদের থেকে আলাদ। তাদের অধিক মনোযোগ তাদের শরীর ও সন্তানের দিকে হয়ে থাকে। এটা তাদের এয়ালোষ্টোযেন হরমোনের কারনে হয়ে থাকে যা তাদেরকে বাচ্চা লালন-পালনের সাথে বেশি সম্পৃক্ত করে। আরেকটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে যে, পুরুষের মস্তিষ্ক নারীর মস্তিষ্কের প্রায় দ্বিগুন বড়। সম্ভবত পুরুষ এবং মহিলার মস্তিষ্কের মধ্যে বৃহত্তম পার্থক্য হল যে পুরুষদের কামেচ্ছা শক্তি নারীদের চেয়ে আড়াইভাগ বেশি"
"থায়ামোফিক্যাল সোসাইটি "এর প্রধানা মিসেস এ্যানি বেসান্ট(Mrs.Annie Besant)নারী বিষয়ে একটি সেমিনারে বলেন,আপনি এমন অনেক লোক পাবেন,যারা ইসলামের সমালোচনা করে শুধু এ কারণে ইসলাম একাধিক বিবাহকে বৈধ করেছে অবশ্যই সীমিত সংখ্যায়,কিন্তু আমি বরাবর অন্য কথা বলি। একটি মাত্র বিবাহের ধোয়া তুলে অসংখ্য নারীর সাথে মেলামেশা শুধুই মুনাফেকি ও ভণ্ডামি। সীমিত একাধিক বিবাহের চাইতে ও বেশি অপমানজনক এটা।আজ মানুষ এই জাতীয় কথাকে অপছন্দ করে, অথচ এগুলো আজ বলা খুব দরকার।কারণ আমাদেরকে মনে রাখতে হবে,নারী সম্পর্কে ইসলামী রীতিনীতি আমাদের ইংল্যান্ড ও কিছুদিন আগ পর্যন্ত মানা হতো।ইংল্যান্ডের নারী সভ্যতায় ইসলামী আইনের বাস্তবায়ন খুব প্রাচীন অতীত নয়।এবং এই আইনইই ছিলো সর্বাধিক ন্যায়সঙ্গত ইনসাফভিত্তিক। সমকালীন পৃথিবীত সর্বাধিক সুন্দর ও নীতিসমৃদ্ব আইন ছিলো এটি।এই আইনে সম্পত্তি উত্তরাধিকার স্বত্ব ও তালাকের ব্যাপারে পশ্চিমাদের চাইতেও অধিক উন্নত ছিল এই আইন। নারীর অধিকারের যথার্থ সংরক্ষক ছিল এই আইন।কিন্তু এই বিবাহ আর একাধিক বিবাহের শ্লোগান মানুষের বিবেক-বুদ্বি ঘুলিয়ে ফেলেছে,অথচ তারা দৃষ্টিমেলে দেখেনা, এই প্রাচ্যে একজন নারীকে বার্ধক্যে যখনন 'মন ভরেনা 'অভিযোগ এনে রাস্তায় ফেলে দেয়া হয়,তখন আর তার কোন সাহায্যকারি থাকেনা।তারা ভাবেনা এই অপমান থেকে নিস্কৃতির উপায় সম্পর্কে"
(বিধ্বস্ত মানবতাঃ শিরোনাম পশ্চিমা গবেষকদের দৃষ্টিতে নারী-পৃঃ৭০
আবুল হাসান আলী নদভী)
মিষ্টার এন.এল কলসেন (N.L.Coulsen)লিখেন নারীর মরযাদা প্রতিষ্টায় ইসলামের শিক্ষা অনন্য, বিশেষ করে বিবাহিতা নারী সম্পর্কে কুরআনী আইনের শ্রেষ্ঠত্ব অনস্বীকার্য।বিবাহ ও তালাক সম্পর্কে ইসলামের প্রচুর আইন রয়েছে।
এর উদ্দেশ্য নারীর মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা। আরবদের রীতিনীতিতে ইসলামের এই আইন অপূর্ব বিপ্লব সৃষ্টি করেছিল।ইসলামই সর্বপ্রথম নারীকে নিয়ে স্বতন্ত্র আইন রচনা করেছে। যা ইতিপূর্বে আয় হয়নি।
ইদ্দতের সীমারেখা নির্ধারণপূর্বক তালাকের আইনে পবিত্র কুরআন এক ব্যতিক্রমী পরিবর্তন সাধন করেছে"
ধর্ম ও সভ্যতা বিষয়ক বিশ্বকোষের এক প্রাবন্ধিক লিখেছেন।
"ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ
(সাঃ) আরব্য সমাজের অবহেলিত নারী জাতিকে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন এতে কোন সন্দেহ নেই, বিশেষ করে যে নারী মৃত স্বামীর পরিত্যক্ত জানোয়ার হিসাবে গন্য হতো,সেই নারী মৃত স্বামীর সম্পদের ভাগীদারের মর্যাদা পেয়েছে।অধিকন্তু ইসলাম তাকে দিয়েছে স্বাধীন জীবন।স্বামী তালাক দিলে স্ত্রীকে খোরপোষ দেয়ার বিধান প্রবর্তন করেছে ইসলাম।
যে কারণে বহুবিবাহ করা হয় সাধারণত দেয় ইসলামে।তবে সেটি শর্তসহ।
১মঃ কামুক পুরুষের স্বভাব জাত চরিত্র, এক নারীতে মন ভরেনা।
২য়ঃ_পারিপার্শ্বিক আবহাওয়া। কোন কোন দেশে আবহাওয়া এমন যে,পুরুষ অত্যন্ত শক্তিশালী কিন্তু মেয়েরা তদনুরূপ নয়।
৩য়ঃ--পূর্বপুরুষদের অনুকরণ করে বাপ দাদার নাম অক্ষুন্ন রাখা।
৪র্থ _সাংসারিক ও আভ্যন্তরিণ গণ্ডগোল।
৫মঃ_বংশবৃদ্বি ও প্রতিপত্তিশালী হবার বাসনা।
৬ষ্ট _রাজ্য ও ধন সম্পত্তি পরকে না দেবার কল্পনা।
৭মঃ_অসহায়া বিধবাকে সাহায্য করা, ধনাঢ্য নারীর ধন-সম্পত্তি ভোগ করার লালসা।
[ বৈজ্ঞানিক মুহাম্মদ সাঃ২খন্ড পৃষ্টা৪৬-৪৭]
যেসকল দেশে পুরুষের চেয়ে নারীদের সংখ্যা আধিক্য সেখানে বহু বিবাহ এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, না হয় পুরুষ বিহীন নারী সমাজ কেমন হবে।চিন্তা করলে বুঝা যায়।ইসলাম সেই বিষয়ে অনুমতি দিয়েছে যেহেতু ইসলাম একটি জীবন ব্যবস্তা।
তবে সাবধান! ন্যায়পরায়নতা না থাকলে তুমি শাস্তিযোগ্য হবে।
কিন্তু এটি পছন্দ হবেনা,
এরা তো শুভাকাঙ্ক্ষী নয়।এরা ব্যবসায়ী, নারী দেহের মধু আহরুহি।
নবী মোহাম্মদের বহুবিবাহঃ
বিকৃত চিন্তাশক্তিই নবী মোহাম্মদকে এমন দায়ে দোষী করতে পারে,নবীর নারীশাক্ত
ছিলেন।ছিলেন যৌনাক্ত।এমন ঘৃণ্য মতবাদ কে প্রচার করতে।
হযরত আয়েশা কে বিবাহ করেছেন,এই জন্য তার নারীশাক্তের অন্তনেই।এমন দাবী কারা আজ তুলছে?পৃথিবীর সূচনালগ্ন থেকেই যেইসব মনিষীরা বিপ্লব ঘটিয়েছেন।
বিপ্লবের নেশায় ঘোর ছিলেন।
দিশ হারাদের দিশা দিতে ব্যস্ত ছিলেন।
পথহারা মাঝিকে পথের সন্ধান দিতে।এসব মনীষীদের শীর্ষে নবী মোহাম্মদ( সাঃ)
অমুসলিমদের কাছে মূল্যায়িত হয়েছে উনার জীবন চরিত।
নারী আন্দোলনের এক মূর্ত পথিক তিনি।জীবন সায়াহ্নে।যখন তিনি টগবগে এক যুবক।বয়স পঁচিশ।আরবের সুন্দরী।বুদ্বিমতী
ধনাঢ্য নারী।যিনি এর আগে বিবাহিত জীবনে ছিলেন,সন্তানের জননীও ছিলেন।বিয়ের প্রস্তাবে যুবক মোহাম্মদ সম্মিত প্রকাশ করলেন।যখন খাদিজার বয়স চল্লিশ,পঁচিশ বছরের যুবক হয়ে চল্লিশ বছরের যুবতীর সাথে জিবনাপন করা, এটি কিসের আলামত!যৌনাক্তের!নারী লোভ,কি সেটি?কখনো বিবেকের সাথে কথা বলেছেন?আপনার দাবীতো একজন বুদ্বিমান।
তবে কেন?
কেন বিবাহ করলেন হযরত আয়েশা কে?একজন বৃদ্বের তখন কি প্রয়োজন পড়েছিলো?
নাতী বয়সী আয়েশাকে বিবাহ করতে?এমন প্রশ্ন বিবেকের কাটগড়ায় দাড় করানোর পূর্বে।
সেই প্রশ্নটি একটি বার কি বিকৃত বিবেকের দাড় করানো কি উচিৎ ছিলনা?
কিভাবে বিবাহিতা একজন বৃদ্বের সাথে নবী সারা জীবন অতিবাহিত করলেন?
উচিৎ ছিলো এমন প্রশ্নের।
বিবেকের মানদণ্ডে দাড় করানো উচিৎ ছিলো।
আরবের বিভিন্ন প্রতিঘাতে তিনি রক্তাক্ত হয়েছেন, কিন্তু নারী লোভী যৌনাক্ত সেই সময়কার আবু জেহেলও বলেনি।
আরব ভুখন্ডে বিপ্লবের প্রান্তেই কি এমন প্রস্তাব পেশ করা হয়নি,
তোমাকে আরবের সবচেয়ে সুন্দর নারী দিবো।
ছেড়ে দাও তোমার প্রভূর পথ।
চলে এসো আমাদের পুর্বসূরীদের
পথভোলা ভ্রান্ত পথে।
নারীত্বের আসক্ত মোহাম্মদ তখনতো যেতে পারতেন।
কিন্তু তিনি সেই বিপদগামিতায় পা বাড়াননি।
চাননি সুন্দরীর সঙ্গ,বিকৃত পৃথিবীর বিবেকে তিনি দংশন করতে চেয়েছেন।
সৃষ্টিকর্তা থাকে করেছেন আলোর দিশারী তিনি কিভাবে নারী বিষয়ে আশক্ত হতে পারেন।
গুর শত্রু সেও নবীকে এই অপবাদে অপরাধী করেনি।
কিন্তু আজকের ধর্মবিদ্বেষী সমাজ।যারা পরিচয় দেয় মুক্ত চিন্তক রূপে এরাই মোহাম্মদের এমন বিষয়ে আঘাত করছে।
অথচ তাদের পৃথিবীটা খুবই ছোট .জার্মানের, ইংল্যান্ডের বা কলকাতার কোন নিভৃত কক্ষেই তাদের জীবন শেষ হয়ে যায়। কিন্তু মোহাম্মদি জাতী হিসেবে আমরা তো শাহেনশাহ। সারা পৃথিবী আমাদের। যেখানে ইচ্ছা সেখানে যাবো, যা প্রয়োজন তাই নেবো।
কিন্তু এরা নিভৃত থাকে পশ্চিমার কোন নির্জন কক্ষে।
তাও বিপ্লব ঘটাতে চায়।
পৃথিবীতে।এরা চায় বিপ্লব করে অস্তিতিশীল করতে পৃথিবীকে।
কিন্তু পেরেছে কি?শত বছরের প্রচেষ্টায় শুভাকাঙ্ক্ষী কতজন করতে পেরেছে?
না তারাই বুদ্বজীবি,
পৃথিবীর সবাই মূর্খ।
তাদের মুখে কি মোহাম্মদের সমালোচনা বেমানান না।
কেন করেছেন বহুবিবাহ।
কি ছিলো রহস্য?
কেন?
নবী মোহাম্মদের বিবিগন
১.খাদিজা (বিধবা) বিবাহের সময় বয়স ৪০ বছর। নবীর বয়স(২৫)
সহজ আত্মভোলা মেয়েদের সুকৌশলে বুঝানো হচ্ছে এসব।
কেন তুমি চিন্তা করনা যে, তোমার ইসলাম, একজন পুরুষকে বহু নারীর সান্নিধ্য গ্রহণের সুযোগ দিচ্ছে?তুমি এমন কি অপরাধ করেছ,যার জন্য বহু পুরুষের সান্নিধ্য গ্রহণের সুযোগ দিলোনা?তাহলে কি তোমার ইসলাম বৈষম্য পূর্ণ নয়?ইসলাম কেন নারীদের বৈষম্যর সারিতে রাখবে?তুমি চিন্তা করেছ?আমরা বলি পুরুষ যেমন চার জন মহিলাকে বিবাহ করতে পারে,
একজন নারীও তাই পারে।আমরা এই পৃথিবীকে সুন্দর সাবলীল ভাবে দেখতে চাই।আমাদের আন্দোলনে যোগ দাও,আঘাত কর পুরুষতান্ত্রিক শাসিত এই সমাজে।এমন শ্লোগানে মিছিল কারির সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্বি পাচ্ছে।
চলার পথে একজন ধার্মিকা মহিলাও যখন এমন প্রশ্ন করে তখন বিষয়টি চিন্তার!আসলেও কেন?তা কি বৈষম্য?না সমাজ পরিচালনার সুন্দর কোন সুত্র?
ইসলাম কেন বহু বিবাহের পক্ষে?
ইসলাম বহু বিবাহের পক্ষে হলে কেন সেই পক্ষের দাবি শুধু পুরুষদের ক্ষেত্রে, এমন প্রশ্ন থাকাটা স্বাভাবিক।কেন?
পুরুষ চরিত্রের মধ্যেই রয়েছে শক্তিশালীতা,বির্যবান ক্ষমতাবল।
ওরা নারীদের চেয়ে আত্মিক মানবিক চিন্তক সব দিক থেকেই শক্তিশালী।
একজন পুরুষ কখনো একজন নারী নিয়ে সুখি থাকতে চায়না।
বহু রঙ্গের নারীদের সংস্পর্শ একজন পুরুষের জন্য আকাঙ্ক্ষা থাকে,যখন যে অবস্তায় পাওয়া যায় নারীকে উপভোগ হিসাবেই, একজন পুরুষ পেতে চায়।
পুরুষ চায় বহু নারী,এই গুণ তার সৃষ্টিগত।খোদাপ্রদত্ত।
পুরুষের বহু নারীতে মন ভরে এমন ইতিহাস কে না জানে?
দেখা যায় ইতিহাসে।
নিগ্রো নেতা টান্ডারের একশো স্ত্রী ছিলো, এক হাজার স্ত্রী ছিলো বেনিন রাজার।
উগান্ডার রাজার ছিলো এক হাজারের চেয়ে বেশি পত্নী,
প্রসিদ্ধ খৃষ্টান পণ্ডিত মিষ্টার ডিওনপোর্ট বহুবিবাহের ক্ষেত্রে ইঞ্জিলের কথা বলে তিনি এর প্রশংসা করেন,বহুবিবাহের প্রবর্তক হিসাবে পাদ্রী নিক্সন, জন মিল্টন এবং আইজ্যাক টেইলর জোরালো ভাষায় বহু বিবাহকে সমর্থন করেন,
প্রাচীন ভারতে হিন্দু ব্রাম্রন রা এতো বেশী বিবাহ করত এর হিসাব রাখা দুষ্কর, তারা নিজেরাও জানতে পারতনা তাদের স্ত্রী পন্তীদের হিসাবের সংখ্যা।
হিন্দুদের অবতার রামকৃঞ্চের ছিলো সহস্রাধিক পত্নী।
শত পত্নী এবং স্ত্রীদের নিয়ে বসবাস এখনো এই যুগে রয়েছে পাওয়া যায় বহু ইতিহাস।
শলোমন রাজা ফরোনের (ফেরাউন)
কন্যা ব্যতিরেকে আরও অনেক বিদেশীয়া রমণীকে অর্থাৎ মোয়াবীয়া, আম্মোনীয়া, ইদোমীয়া,সদোনীয়া ও হিত্তিয়া রমণীকে প্রেম করিতেন।
যে জাতিগনের বিষয়ে সদাপ্রভু ইস্রাইল -সন্তানগনকে বলিয়াছিলেন।
তোমরা তাহাদের কাছে যাই ওনা।এবং তাহাদিগকে আপনাদের কাছে আসিতে দিওনা।কেননা তাহারা অবশ্যই তোমাদের হৃদয়কে আপনাদের দেবগনের অনুগমনে বিপথগামী করিবে।
শলোমন তাহাদেরই প্রতি প্রেমাসক্ত হইলেন।
সাত শত রমণী তাঁহার পত্নী ও তিনশত তাহার উপপত্নী ছিলো।
তাহার সেই স্ত্রীরা তাহাকে বিপথগামী করিল।ফলে এইরূপ ঘটিলো শলোমনের বৃদ্ব বয়সে।তাহার স্ত্রীরা তাঁহার হৃদয়কে অন্য দেবগনেরক অনুগমনে বিপথগামী করিল।
তাহার পিতা দাউদের অন্তঃকরণ যেমন ছিল,তাহার অন্তঃকরণ তেমনি আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুর ভক্তিতে একাগ্র ছিল না।কিন্তু শলোমন সীদনীয়দের দেবী অষ্টরতের ও অস্মোনীয়দের ঘৃণার্হ বস্তু মিলকমের অনুগামী হইলেন।এই রুপে শলোমন সদাপ্রভুর দৃষ্টিতে যাহা মন্দ তাহাই করিলেন।আপন পিতা দাউদের ন্যায় সম্পূর্ণ রূপে সদাপ্রভুর অনুগামী হইলেননা"
৬জুলাই ১৯৭৬সালে ইত্তেফাকের একটি নিউজ এমন ছিলো ইরানের ইয়াহিয়া আলী আকবর বেগ নূরী তিনি কতটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এবং কতটি স্ত্রী রয়েছে এর হিসাব তিনি নিজেও জানেননা।ইউরোপ আজ নারী স্বাধিকার আন্দোলনকে বিশ্ব বাজারে তুঙ্গ করে তুললেও।এক নারীতে এরা থেমে নেই,
বহু নারীতে এদের জীবন এমনকি বিবাহ রীতির পীড়িতে ওরা বসতে চায়না।বহু নারীর স্বপ্নে।বহু নারী উপভোগ্য ওদের বিবাহ নীতি ও প্রয়োজন পড়েনি,হাটে ঘাটে রেস্তারায়, মাঠে গাড়িতে, যখন যেখানে নারী উপভোগের সুযোগ রয়েছে।পশ্চিমা দেশে বহু নারী উপভোগ এটি একটি নেশা।এটি সভ্যতাও!একজন পুরুষ এক সাথে কয়েকজন নারীকেও উপভোগ্য করার বিরল দৃষ্টান্ত দেখা যায় ইউরোপে,এটিতো পশ্চিমাদের সংস্কৃতি।তাহলে তারা নারী অধিকার নিয়ে ভাবে কেমন করে।
যেখানে মা ছেলের মধ্যে, বাবা মেয়ের মধ্যে যৌন জীবন স্বাভাবিক। তাহলে কি পুরুষ বহু নারীতে আকাঙ্ক্ষী এটি প্রমাণ হয়না?
বলেছি এটি খোদা পদত্ত্ব,
কিন্তু ইসলাম এমন সভ্যতার পক্ষে না, যে সভ্যতা নারীকে অধিকারের শ্লোগানে পন্য বানাতে ইচ্ছুক।
তাই মোহাম্মদী দর্শনে রয়েছে তার নিদৃষ্ট কিছু থিউরি।
যার আগলোকেই একজন মুসলাম চলতে হবে।চৌদ্দশত বছর আগে যখন ইসলাম বলেছিলো,
চার জন নারীর উপরে বিবাহ করা হারাম।তখনকার সমাজ নিয়ে আজকের সমালোচক বন্ধুদের কি একটুও ধারণা নেই।যখন সমাজের প্রতিটি পুরুষের কাছে একাধিক স্ত্রী বাদি পত্নী, এমনকি স্বয়ং মোহাম্মদের (সাঃ)বিশেষ অনুষারী সাহাবাদের ও রয়েছে বহু স্ত্রী তখন এই ঘোষণা দেয়া কি স্বাভাবিক? এতটাই সহজ!নিজের অনুসারীরা যে কাজে লিপ্ত, সেই কাজের প্রতিরোধ পৃথিবীর কোন সংস্কারক করেছেন?ইতিহাস নেই।
প্রমাণ ও নেই।
সব সংস্কারকরাই ঘনিষ্ট সহচরদের মতেই থিউরি দিয়েছেন।কিন্তু মোহাম্মদ তিনিতো
বিশ্ববাসীর জন্য।ইনসাফ ন্যায় নীতি প্রতিষ্টার জন্য।আল্লাহর পক্ষ থেকে সর্বশেষ ধূত হিসাবে।সকল নীতির শেষ সামাধানের জন্য।
মানব জীবনে কল্যাণের জন্য।
বিধান আসল আল্লাহর পক্ষ থেকে,"বিয়ে করে নাও তাদের মধ্য থেকে দুই তিন বা চারজন করে তোমাদের পছন্দ মত,যদি সুবিচারে ভয় হয় তাহলে একজনকেই বিয়ে কর"
(সুরায়ে নিসা আয়াতঃ৩)
এই একটি আয়াত বহু বিবাহের ক্ষেত্রে, যার অংশ নিয়ে আজকের নাস্তিক জগত ইসলামকে আঘাত করছে বহুমাত্রিকে।
কি বলে এই আয়াত, এই আয়াতের শানে নুজুল
(অবতীর্ণ হওয়ার কারণ)
বা কি?এসব দেখলে হয়তো নাস্তিক বা বহুবিবাহের বিরোধীতা করতে কিছুটা লজ্জিত হবেন।
শানে নুজুল দেখলে বুঝা যায় এই আয়াত একাধিক স্ত্রী গ্রহণের জন্য অবতীর্ণ হয়নি,এই আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার আগ থেকেই এই বিষয়টি বৈধ ছিলো,মূলত ইয়াতীম সুন্দরী মহিলাদের তখন বিবাহ করা হত এবং তাদের বরণ পোষণ তেমন গুরুত্বের সাথে দেয়া হতনা।
তাদের ব্যাপারে যেনো ইনসাফ ন্যায় প্রতিষ্টা স্থাপন হয় সেই উদ্দেশ্য ছিলো।এবং বহুবিবাহ তখন তার কোন নিদৃষ্ট কোন সংখ্যা ছিলোনা যার জন্য নারী সমাজ লাঞ্চিত হতে শুরু করে।
বহুবিবাহের ক্ষেত্রে নিদৃষ্ট সংখ্যা আসে।এর উপর নারী বিবাহ করা হারাম আসে।তাহলে কি এই বিধান আসা অপরাধ হল।
নবী মোহাম্মদ কি অপরাধ করেছেন এই বিধান প্রনয়নে?
দেখি একটি হাদিস এই ব্যাপারে মোহাম্মদ (সাঃ)র একজন সাথি কি বলেন।
হযরত ইবনে আব্বাস (রাযিঃ)
এবং তার শাগরিদ ইকরামা রাযিঃ)
এই আয়াতের তাফসির বলেছেন, জাহেলী যুগে বিবাহের কোন সীমারেখা ছিলনা, একেক ব্যক্তি দশ বিশটি বিবাহ করতো,অধিক সংখ্যক বিবাহের কারণে যখন খরচ বেড়ে যেতো, তখন তারা বাধ্য হয়ে নিজেদের ইয়াতীম ভাগীনা ভাতিজা এবং অন্যান্য অসহায় প্রিয়জনদের অধিকারে হস্তক্ষেপ করত। এই জন্য আল্লাহ তায়লা বিবাহের সীমা চার সংখ্যায় বেধে দিয়েছেন।
একাধিক বিবাহের জন্য ইসলাম আদেশ করেনি।
একাধিক বিবাহ থেকে বাচাতে সংখ্যা নিদৃষ্ট করে দিয়েছে।
চারজন বিবাহের আদেশ তখন যখন প্রত্যেকের ব্যাপারে থাকবে সমান খাবার পরণ রাত্রী জাগরণ সহ সর্বক্ষেত্রে থাকবে ইনসাফ আর ন্যায় তখন কেহ দুটি থেকে চারটি পর্যন্ত বিবাহ করতে পারে।
এখানে নারীদের অধিকার হরণ হয় কোথায় বুঝে আসলনা।
ইসলাম কি এমন অধিকার দিয়েছে পুরুষরা তোমরা চারটি করে বিবাহ কর কোন সমস্যা নেই।যদিও তোমরা ইনসাফ করতে না পার।এমনটি তো বলেনি ইসলাম, এমন কথার প্রবর্তক মোহাম্মদ (সাঃ)নয়।
তাহলে বিরুদ্ধাচার বা কেন?
একাধিক স্ত্রীর প্রয়োজনীয়তাঃ
এটি তো চিরসত্য যে আজকের সমাজে পুরুষের চেয়ে নারীদের সংখ্যা আধিক্য,যদিও পুরুষের সমান তালে নারীদের জন্ম কিন্তু শিশু বয়সেই পুরুষ শিশু কন্যা শিশুর চেয়ে বেশি মৃত্যু বরণ করে,
ঠিক এই ভাবে কিশোর যৌবন কালে গাড়ী এক্সিডেন্ট মদ্যপান সহ বিভিন্ন কারণে পুরুষের মৃত্যু হার বেশি নারীর চেয়ে।
তাইতো আজ পৃথিবীর মানচিত্র নারী সংখ্যা পুরুষের চেয়ে প্রায়১কোটি বেশি,
যেমনঃ আমেরিকায় ছেলেদের তুলনায় মহিলা ৭৮লাখ বেশি আমেরিকায় বিয়ের আগে একজনের ৮জন যৌন সঙ্গি থাকে।রক্ষিতার ব্যাপারে কোন আইন নেই যত খুশি তত।
ইংলেন্ডে ছেলেদের সংখ্যায় মেয়েরা ৪০ লাখ বেশি
জার্মানিতে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা ৫০লাখ বেশি
রাশিয়ায় ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা ৯০ লক্ষ বেশি।
দেখা যায় সেই হিসাবনুপাতে ভারতে মহিলা সংখ্যা আধিক্যতা নেই।এমন কেন?
বিবিসি রিপোর্ট
প্রতিদিন ইন্ডিয়ায় তিন হাজারের
চেয়ে বেশি মহিলা গর্ভপাত করে,
যখন সে জানতে পারে যে তার গর্ভের সন্তানটি মেয়ে।
তার মানে প্রতি বছরে ইন্ডিয়ায় ১০লাখের বেশী মহিলা গর্ভপাত করে যখন জানতে পারে তার গর্ভে সন্তানটি মেয়ে।
রিপোর্টের পরিসংখ্যান করলে দাঁড়ায় প্রতি ১০জনের ৪জন মেয়েকে জন্মের আগেই হত্যা করা হয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানিতে পুরুষের চেয়ে মহিলা
ছিল ৭৩,০০,০০০ বেশি।
তন্মধ্য ৩৩ লক্ষ বিধবা।
সেখানে২০ থেকে ৩০ বছর বয়সী ১০০ জন পুরুষ ছিল
সমবয়সী ১৭৬ জন মহিলার মহিলার বিপরীতে।
(John D'Emilio and Estelle B. Freedman, Intimate
Matters: A history of Sexuality in America (New
York: Harper & Row Publishers, 1988) p. 87.,)
সে সেময় তাদের মধ্যকার অনেকেই পুরুষের প্রতি শুধু
জীবনসঙ্গী হিসাবে নয়; বরং অভাবের তাড়নায়
ভরনপোষণকারী হিসাবেও তাদের মুখাপেক্ষী ছিল।
বিজয়ী সেনারা এ সমস্থ মহিলাদের থেকে সুবিধা ভোগ করত
প্রচুর সংখ্যক যুবতী ও বিধবা
মহিলা দখলদার সেনাদের সাথে
অবৈধ দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।
আমেরিকা ও ব্রিটিনের অধিকাংশ সৈন্য তাদের সাথে অবৈধ দৈহিক সম্পর্ক তৈরী করে বিনিময়ে তাদেরকে সিগারেট চকলেট বা রুটি প্রদান করত।
ছোট বাচ্চারা এই উপহার গুলো খুব খুশি হতো।
১০বছর বয়সি একজন শিশু সমবয়সী শিশুদের কাছে এধরণের উপহার দেখে আকাঙ্ক্ষা করত, কোন ইংরেজ যদি তার মাকে এমন কিছু দিত
তাহলে তারা ক্ষুধার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতো।
( Ute Frevert, Women in German History: from
Bourgeois Emancipation to Sexual Liberation (New
York: Berg Publishers, 1988) pp. 263-264,)
যখন পৃথিবীতে পুরুষের চেয়ে মহিলাদের সংখ্যা এতোই বেশি।
যেখানে একটি করে পুরুষ বিবাহ করলে।প্রায় ৫০কোটি মহিলা থাকবে নিষঙ্গ স্বামীহীনা।
পুরুষহীনা একজন মহিলার জন্য জীবন যাপন করা কি সহজ।তাদের কি দৈহিক জৈবিক চাহিদা নেই?
যৌন বিজ্ঞান বলে একজন নারী সারাজীবন কুমারী থাকতে পারেনা।তাহলে কিভাবে এই মহিলাটি একজন পুরুষের সঙ্গ নিবে।যখন প্রত্যেকের একেকজন করে স্ত্রী থাকবে।সব মিলিয়ে কোন জ্ঞানিই যারা সত্যিকারেই একজন মহিলার স্বাধিকার চায়।সে এক বিবাহ বাধ্যতামূলক করতে সাহস পাবেনা।এবং এর বিপরীতে যৌক্তিও উঠাবেনা।কিন্তু না সমাজের রন্ধে এমন কিছু জীব রয়েছে যাদের চিন্তা বিবেক জ্ঞান সবই যেনো পরিমাপ্ত নয়।যেনো বিকৃত বিবেকের ধ্ববজারি।
তারা অধিকার তুলে নারীদের ব্যাপারে,বুঝেও বহুনারী গ্রহণকে বাধাপ্রাপ্ত করে।
সমাজের পতিতাবৃত্তি সমৃদ্ব করতে চায়।সম্মানিতা মহিলাকে অনেকের ভোগের পাত্রী বানাতে চায়,তারাই আন্দোলন তুলছেন।
বেচে থাকার অধিকার তুলে জনগনের সম্পদ হতে আহবান করছেন।বহুবিবাহে বাধাপ্রধান করছেন,পশ্চিমা আইন কতইনা আশ্চর্য!বহুবিবাহ নিষিদ্ধ, কিন্তু ব্যভিচার আজ সেখানে সিদ্ধ!
ইসলাম বিদ্বেষীরা ইসলামের বহুবিবাহের ইস্যু নিয়ে মাঠে নামাচ্ছেন,এদেশের বহু নারীকে, যারা তাদের মননে চলে,কথা বলে তাদের ছলে।
মাঠে নেমেছেন শ্লোগান দিচ্ছেন,তারা কি কখনো এই কথা ভেবেছেন?এই বহুবিবাহে মুসলমানদের সংখ্যা কত?হে ভারতবর্ষে বহুবিবাহে মুসলমানের সংখ্যা শতকরা ৫%
তাহলে এটি কি আশ্চর্য কথা হলনা হাতে গনা এই কয়েকজন ব্যক্তি ইসলামের চাহিদানুযায়ী
স্ত্রীকে ভরণ পোষণ দিতে পারছে।
কিন্তু ইসলাম ন্যায়ের উপর জোর দেয়াতে অন্য মুসলমানেরা আজ তা থেকে বিরত।
যৌক্তিক আলোকে যদি একটি প্রশ্ন করা হয়,একজন ব্যক্তির একজন স্ত্রী তার সাথে মহানন্দের সাথে স্বামীর দিনাতিপাত করছে।
কিন্তু স্ত্রীর সমস্যা তার কোন সন্তান হচ্ছেনা,এমতাবস্থায় এই স্ত্রীকে তালাক বা ডিভোর্স দেয়া ও সম্ভব নয়।তাহলে এই স্বামী কি করবে? কি তার সমাধান?
তার জীবনের ব্যাপারে কি রোল থাকতে পারে।
হয়তো কোন নাস্তিক বা ধর্মদ্বেষী বলবে আজকের গ্লোবালে ইনজেকশন দিয়েতো সন্তান গর্ভে নেয়া যায়,সেটি করবে।তাহলে এটি কার সন্তান হল,নীতিগত ভাবে এটি কি জারজ সন্তান হলনা।কতইনা নগ্ন তাদের সমাজ, যেখানে বীর্য বেচা হয়।একটি পুরুষের বীর্য থেকে আশিটি সন্তানের জন্ম হয়েছে।এটি কি সভ্যতা! এখানো তো মহিলার সমস্যা ইনজেকশন দিয়ে কাজ হবেনা।কি করবে স্বামী।বিরুদ্ধাচার সমাজ সমাধান? আসলে তখন নিরুত্তর হবে।সমাধান তখন ইসলামে তুমি আরেকটি বিবাহ কর।তবে সাবধান ন্যায় ইনসাফ যেনো থাকে।
ফ্রান্সের সমাজ বিজ্ঞানী প্রফেসর ডক্টর যোসেফ লুবুন বলেনঃ “প্রাচ্যদেশে (তিনি ইসলামকে বুঝিয়েছেন) যে বহুবিবাহ প্রথা চালু আছে এটা একটা সুন্দর নিয়ম। এতে সে জাতির মাঝে চারিত্রিক অবকাঠামো উন্নতি হয়, পারিবারিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়, নারীরা সম্মান ও সুখী হয়, যা আমরা ইউরোপীয় দেশগুলোতে দেখিনা”
একজন পুরুষ দুয়ের মাঝে কোন পার্থক্য ছাড়াই একাধিক নারীকে ভালবাসতে পারে। সি,এন, এন এর ওয়েবসাইটে মার্কিন ইউটা ভার্সিটির মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক লিজা ডায়মন্ড বলেছেনঃ
"জীব বিজ্ঞানে অনেক দলিল প্রমান রয়েছে যে, যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে পুরুষদের একাধিকের প্রতি যে চাহিদা, তা তাদের শারীরিক গঠনগত চাহিদার দাবি"
বৃটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক ২০০৭ সালে তাদের এক গবেষণায় বলেছেনঃ
"নারীরা পুরুষদের থেকে আলাদ। তাদের অধিক মনোযোগ তাদের শরীর ও সন্তানের দিকে হয়ে থাকে। এটা তাদের এয়ালোষ্টোযেন হরমোনের কারনে হয়ে থাকে যা তাদেরকে বাচ্চা লালন-পালনের সাথে বেশি সম্পৃক্ত করে। আরেকটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে যে, পুরুষের মস্তিষ্ক নারীর মস্তিষ্কের প্রায় দ্বিগুন বড়। সম্ভবত পুরুষ এবং মহিলার মস্তিষ্কের মধ্যে বৃহত্তম পার্থক্য হল যে পুরুষদের কামেচ্ছা শক্তি নারীদের চেয়ে আড়াইভাগ বেশি"
"থায়ামোফিক্যাল সোসাইটি "এর প্রধানা মিসেস এ্যানি বেসান্ট(Mrs.Annie Besant)নারী বিষয়ে একটি সেমিনারে বলেন,আপনি এমন অনেক লোক পাবেন,যারা ইসলামের সমালোচনা করে শুধু এ কারণে ইসলাম একাধিক বিবাহকে বৈধ করেছে অবশ্যই সীমিত সংখ্যায়,কিন্তু আমি বরাবর অন্য কথা বলি। একটি মাত্র বিবাহের ধোয়া তুলে অসংখ্য নারীর সাথে মেলামেশা শুধুই মুনাফেকি ও ভণ্ডামি। সীমিত একাধিক বিবাহের চাইতে ও বেশি অপমানজনক এটা।আজ মানুষ এই জাতীয় কথাকে অপছন্দ করে, অথচ এগুলো আজ বলা খুব দরকার।কারণ আমাদেরকে মনে রাখতে হবে,নারী সম্পর্কে ইসলামী রীতিনীতি আমাদের ইংল্যান্ড ও কিছুদিন আগ পর্যন্ত মানা হতো।ইংল্যান্ডের নারী সভ্যতায় ইসলামী আইনের বাস্তবায়ন খুব প্রাচীন অতীত নয়।এবং এই আইনইই ছিলো সর্বাধিক ন্যায়সঙ্গত ইনসাফভিত্তিক। সমকালীন পৃথিবীত সর্বাধিক সুন্দর ও নীতিসমৃদ্ব আইন ছিলো এটি।এই আইনে সম্পত্তি উত্তরাধিকার স্বত্ব ও তালাকের ব্যাপারে পশ্চিমাদের চাইতেও অধিক উন্নত ছিল এই আইন। নারীর অধিকারের যথার্থ সংরক্ষক ছিল এই আইন।কিন্তু এই বিবাহ আর একাধিক বিবাহের শ্লোগান মানুষের বিবেক-বুদ্বি ঘুলিয়ে ফেলেছে,অথচ তারা দৃষ্টিমেলে দেখেনা, এই প্রাচ্যে একজন নারীকে বার্ধক্যে যখনন 'মন ভরেনা 'অভিযোগ এনে রাস্তায় ফেলে দেয়া হয়,তখন আর তার কোন সাহায্যকারি থাকেনা।তারা ভাবেনা এই অপমান থেকে নিস্কৃতির উপায় সম্পর্কে"
(বিধ্বস্ত মানবতাঃ শিরোনাম পশ্চিমা গবেষকদের দৃষ্টিতে নারী-পৃঃ৭০
আবুল হাসান আলী নদভী)
মিষ্টার এন.এল কলসেন (N.L.Coulsen)লিখেন নারীর মরযাদা প্রতিষ্টায় ইসলামের শিক্ষা অনন্য, বিশেষ করে বিবাহিতা নারী সম্পর্কে কুরআনী আইনের শ্রেষ্ঠত্ব অনস্বীকার্য।বিবাহ ও তালাক সম্পর্কে ইসলামের প্রচুর আইন রয়েছে।
এর উদ্দেশ্য নারীর মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা। আরবদের রীতিনীতিতে ইসলামের এই আইন অপূর্ব বিপ্লব সৃষ্টি করেছিল।ইসলামই সর্বপ্রথম নারীকে নিয়ে স্বতন্ত্র আইন রচনা করেছে। যা ইতিপূর্বে আয় হয়নি।
ইদ্দতের সীমারেখা নির্ধারণপূর্বক তালাকের আইনে পবিত্র কুরআন এক ব্যতিক্রমী পরিবর্তন সাধন করেছে"
ধর্ম ও সভ্যতা বিষয়ক বিশ্বকোষের এক প্রাবন্ধিক লিখেছেন।
"ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ
(সাঃ) আরব্য সমাজের অবহেলিত নারী জাতিকে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন এতে কোন সন্দেহ নেই, বিশেষ করে যে নারী মৃত স্বামীর পরিত্যক্ত জানোয়ার হিসাবে গন্য হতো,সেই নারী মৃত স্বামীর সম্পদের ভাগীদারের মর্যাদা পেয়েছে।অধিকন্তু ইসলাম তাকে দিয়েছে স্বাধীন জীবন।স্বামী তালাক দিলে স্ত্রীকে খোরপোষ দেয়ার বিধান প্রবর্তন করেছে ইসলাম।
যে কারণে বহুবিবাহ করা হয় সাধারণত দেয় ইসলামে।তবে সেটি শর্তসহ।
১মঃ কামুক পুরুষের স্বভাব জাত চরিত্র, এক নারীতে মন ভরেনা।
২য়ঃ_পারিপার্শ্বিক আবহাওয়া। কোন কোন দেশে আবহাওয়া এমন যে,পুরুষ অত্যন্ত শক্তিশালী কিন্তু মেয়েরা তদনুরূপ নয়।
৩য়ঃ--পূর্বপুরুষদের অনুকরণ করে বাপ দাদার নাম অক্ষুন্ন রাখা।
৪র্থ _সাংসারিক ও আভ্যন্তরিণ গণ্ডগোল।
৫মঃ_বংশবৃদ্বি ও প্রতিপত্তিশালী হবার বাসনা।
৬ষ্ট _রাজ্য ও ধন সম্পত্তি পরকে না দেবার কল্পনা।
৭মঃ_অসহায়া বিধবাকে সাহায্য করা, ধনাঢ্য নারীর ধন-সম্পত্তি ভোগ করার লালসা।
[ বৈজ্ঞানিক মুহাম্মদ সাঃ২খন্ড পৃষ্টা৪৬-৪৭]
যেসকল দেশে পুরুষের চেয়ে নারীদের সংখ্যা আধিক্য সেখানে বহু বিবাহ এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, না হয় পুরুষ বিহীন নারী সমাজ কেমন হবে।চিন্তা করলে বুঝা যায়।ইসলাম সেই বিষয়ে অনুমতি দিয়েছে যেহেতু ইসলাম একটি জীবন ব্যবস্তা।
তবে সাবধান! ন্যায়পরায়নতা না থাকলে তুমি শাস্তিযোগ্য হবে।
কিন্তু এটি পছন্দ হবেনা,
এরা তো শুভাকাঙ্ক্ষী নয়।এরা ব্যবসায়ী, নারী দেহের মধু আহরুহি।
নবী মোহাম্মদের বহুবিবাহঃ
বিকৃত চিন্তাশক্তিই নবী মোহাম্মদকে এমন দায়ে দোষী করতে পারে,নবীর নারীশাক্ত
ছিলেন।ছিলেন যৌনাক্ত।এমন ঘৃণ্য মতবাদ কে প্রচার করতে।
হযরত আয়েশা কে বিবাহ করেছেন,এই জন্য তার নারীশাক্তের অন্তনেই।এমন দাবী কারা আজ তুলছে?পৃথিবীর সূচনালগ্ন থেকেই যেইসব মনিষীরা বিপ্লব ঘটিয়েছেন।
বিপ্লবের নেশায় ঘোর ছিলেন।
দিশ হারাদের দিশা দিতে ব্যস্ত ছিলেন।
পথহারা মাঝিকে পথের সন্ধান দিতে।এসব মনীষীদের শীর্ষে নবী মোহাম্মদ( সাঃ)
অমুসলিমদের কাছে মূল্যায়িত হয়েছে উনার জীবন চরিত।
নারী আন্দোলনের এক মূর্ত পথিক তিনি।জীবন সায়াহ্নে।যখন তিনি টগবগে এক যুবক।বয়স পঁচিশ।আরবের সুন্দরী।বুদ্বিমতী
ধনাঢ্য নারী।যিনি এর আগে বিবাহিত জীবনে ছিলেন,সন্তানের জননীও ছিলেন।বিয়ের প্রস্তাবে যুবক মোহাম্মদ সম্মিত প্রকাশ করলেন।যখন খাদিজার বয়স চল্লিশ,পঁচিশ বছরের যুবক হয়ে চল্লিশ বছরের যুবতীর সাথে জিবনাপন করা, এটি কিসের আলামত!যৌনাক্তের!নারী লোভ,কি সেটি?কখনো বিবেকের সাথে কথা বলেছেন?আপনার দাবীতো একজন বুদ্বিমান।
তবে কেন?
কেন বিবাহ করলেন হযরত আয়েশা কে?একজন বৃদ্বের তখন কি প্রয়োজন পড়েছিলো?
নাতী বয়সী আয়েশাকে বিবাহ করতে?এমন প্রশ্ন বিবেকের কাটগড়ায় দাড় করানোর পূর্বে।
সেই প্রশ্নটি একটি বার কি বিকৃত বিবেকের দাড় করানো কি উচিৎ ছিলনা?
কিভাবে বিবাহিতা একজন বৃদ্বের সাথে নবী সারা জীবন অতিবাহিত করলেন?
উচিৎ ছিলো এমন প্রশ্নের।
বিবেকের মানদণ্ডে দাড় করানো উচিৎ ছিলো।
আরবের বিভিন্ন প্রতিঘাতে তিনি রক্তাক্ত হয়েছেন, কিন্তু নারী লোভী যৌনাক্ত সেই সময়কার আবু জেহেলও বলেনি।
আরব ভুখন্ডে বিপ্লবের প্রান্তেই কি এমন প্রস্তাব পেশ করা হয়নি,
তোমাকে আরবের সবচেয়ে সুন্দর নারী দিবো।
ছেড়ে দাও তোমার প্রভূর পথ।
চলে এসো আমাদের পুর্বসূরীদের
পথভোলা ভ্রান্ত পথে।
নারীত্বের আসক্ত মোহাম্মদ তখনতো যেতে পারতেন।
কিন্তু তিনি সেই বিপদগামিতায় পা বাড়াননি।
চাননি সুন্দরীর সঙ্গ,বিকৃত পৃথিবীর বিবেকে তিনি দংশন করতে চেয়েছেন।
সৃষ্টিকর্তা থাকে করেছেন আলোর দিশারী তিনি কিভাবে নারী বিষয়ে আশক্ত হতে পারেন।
গুর শত্রু সেও নবীকে এই অপবাদে অপরাধী করেনি।
কিন্তু আজকের ধর্মবিদ্বেষী সমাজ।যারা পরিচয় দেয় মুক্ত চিন্তক রূপে এরাই মোহাম্মদের এমন বিষয়ে আঘাত করছে।
অথচ তাদের পৃথিবীটা খুবই ছোট .জার্মানের, ইংল্যান্ডের বা কলকাতার কোন নিভৃত কক্ষেই তাদের জীবন শেষ হয়ে যায়। কিন্তু মোহাম্মদি জাতী হিসেবে আমরা তো শাহেনশাহ। সারা পৃথিবী আমাদের। যেখানে ইচ্ছা সেখানে যাবো, যা প্রয়োজন তাই নেবো।
কিন্তু এরা নিভৃত থাকে পশ্চিমার কোন নির্জন কক্ষে।
তাও বিপ্লব ঘটাতে চায়।
পৃথিবীতে।এরা চায় বিপ্লব করে অস্তিতিশীল করতে পৃথিবীকে।
কিন্তু পেরেছে কি?শত বছরের প্রচেষ্টায় শুভাকাঙ্ক্ষী কতজন করতে পেরেছে?
না তারাই বুদ্বজীবি,
পৃথিবীর সবাই মূর্খ।
তাদের মুখে কি মোহাম্মদের সমালোচনা বেমানান না।
কেন করেছেন বহুবিবাহ।
কি ছিলো রহস্য?
কেন?
নবী মোহাম্মদের বিবিগন
১.খাদিজা (বিধবা) বিবাহের সময় বয়স ৪০ বছর। নবীর বয়স(২৫)
সহীহ রেওয়াত অনুযায়ী পাওয়া যায়।
হুজুর (সাঃ) ৯জন স্ত্রী ছিলেন।
যেহেতু বিষয়টি অতি বিশ্লেষণ ধর্মি বিষয়।তাই এখানে সবকটি বিবাহের কথা উল্লেখ করা হল।
কথিত মুক্ত চিন্তাশীল,যারা এই বিংশশতাব্দীতে এসে দাবী করেন।
অভিযোগ করে বসেন।একটি বিবাহ নিয়ে।সেটি হযরত আয়েশা (রাযিঃ)
এর বিবাহ নিয়ে!কোন বিষয়ের অভিযোগ কারির অভিযোগ দেখে তার চিন্তার সীমানা নির্ণয় করা যায়।
আবার অনেকে নিজকে পরিচিতি করার মানসে এই এই রকম ন্যাক্কারজনক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন।নিজেকে সব জান্তা ভেবে এই অলিক অভিযোগ করে থাকেন.আমরা জানি আজের বাংলাদেশের বাল্যবিবাহের প্রক্ষাপটে
কোন মেয়েকে যদি বিবাহ দেয়া হয়।
তাহলে সেই দায়ে মামলা করা হয় দু জন মানুষের উপর এক মেয়ের অভিভাবকের উপর আর দ্বিতীয় বরের উপর.
এখানে স্যাকুলাররা শুধু দায়ি করে।
নবী মোহাম্মদকে।কিন্তু তাদের যৌক্তি হযরত আবু বকরকে দায়ি করেনা
কারণ হয়তো অনেকেই জানেনা যে,হযরত আয়েশা হযরত আবু বকরের কন্যা বলে। তাদের জানার স্মৃতি এতই কম যে,এদের ৯ বছর বয়স দেখেই চেতনায় আগুন ধরেছে।
যদি বলা হয় প্রত্যেক বিবাহের একেকটি প্রেক্ষাপট থাকে। কিন্তু তারা সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টি না জেনেই সমালোচনার ব্রত হন।
নবী মোহাম্মদের সবচেয়ে কাছের সাথি ছিলেন।হযরত আবু বকর (রাযিঃ)যিনি উপাধী পেয়েছিলেন সিদ্দীক। নবীর হিজরতের ইংগিত পেয়ে একাধারে দরজার সাথে দাঁড়িয়ে ছিলেন অনেক দিন।
হেজরতের সময় অন্ধকার গুহায় কালনাগিনীর ছোবল খেয়েও নবী মোহাম্মদকে বুকের সাথে জড়িয়ে রাখেন। দুর্গমগিরি হাজারো পাহাড় উপত্যকা পাড়ি দিতে নবীজির সাথে ছায়া হয়ে থাকেন।যে আবু বকর সারাটি জীবন নবীর জন্য উৎসর্গ করে দিলেন।নিজের সুখ দুঃখ জীবন সব কিছু অর্পণ করলেন মোহাম্মদের জন্য।সেই আবু বকরের আবদার কোন যৌক্তিকতায় নবীজি নাকচ করবেন।সেই কাজতো কোন পাষাণ হৃদসম্পন্ন ব্যক্তি করতে পারেনা।
আমার নবীতো সমগ্র জাতির রহমত স্বরূপ। তিনিতো পাষাণ নয়।অতি কঠোর নয়।আরব্য রীতি অনুযায়ী আবু বকর আপন মেয়ের বিবাহের
ব্যপারে চিন্তায় মগ্ন হলেন।
সেই সময় কন্যার অভিভাবক আপন ব্যক্তির জন্য পছন্দের পাত্র টিক করে রাখতেন।আর এই কাজটি অনেক ছোট থাকতেই অনেক সময় করা হত.যেমন হযরত আয়েশা (রাযিঃ)
এর ব্যাপারে করা হয়েছিলো।এটি এমন কোন কাজ নয় যাহা একমাত্র আয়েশা (রাযিঃ) র জন্য করা হয়েছিলো।এটি সেই সময়কার আরব্যরীতি ছিলো।
হযরত আবুবকর নিজের মেয়ের বিবাহের জন্য উমরকে প্রস্তাব করলেন।কিন্তু উমর সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।তারপর মেয়ের বিবাহের প্রস্তাব দেন উসমান (রাযিঃ)
কে তিনিও সেইই প্রস্তাব খারিজ করে দেন।কিন্তু তিনি না থেমে প্রস্তাবটি করেন আলী (রাযিঃ) কাছে কিন্তু অতি দুঃখ ইতিহাস এমন বলে যে,আলী ও আবু বকরের সেই প্রস্তাব ফিরে দেন.
অবাক ও দিশেহারা হন আবু বকর।কেননা তিনি চেয়েছিলে মেয়ের জন্য উন্নত পাত্র।
কিন্তু প্রথম সারির তিনজন সাহাবী ই প্রত্যাখ্যান করে দেন আবু বকরের প্রস্তাব।তিনি নিরুপায় হয়ে শেষে যান নবী মোহাম্মদ (সাঃ) র কাছে।
তাই নবী বিতাড়িত করেননি.
আশাহত করেননি আবু বকরকে।
নবীজির সব কাজ আল্লাহর পক্ষ হতেই,ওহীর মাধ্যমে এর সমাধান আসতো।ইসলামের ইতিহাসে এই বিবাহটি কতটি গুরুত্বপূর্ণ ছিলো তার ইতিহাস পরবর্তীতে প্রকাশ হয়।
আল্লহর নবীর এমন কোন কাজ ছিলোনা যা অহেতুক বা অনর্থক।
ইসলামের ইতিহাসের এক কিংবদন্তীর অবস্থানে হযরত আয়েশা।
যিনি লক্ষাধিক হাদিসের বর্ণনাকারী এবং সাহাবাদের সময় এমন অনেক সমস্যা সমাধানে আয়েশা (রাযিঃ)
আবির্ভূত হন যা বিস্ময়ের।
যে আয়েশা নিয়ে স্যাকুল্যার মনে প্রশ্নের অন্ত নেই.তারা কি হযরত আয়েশার জীবনি ইতিহাস পড়েছেন।
ডাহামিথ্যে আর অপ্রপচারে লিপ্ত হন
তখন কি বিবেক একটু ও বাধা দেয়না।যে আয়েশার জন্য মায়াকান্না
করেন।সেই আয়েশা কি জীবনে নবীজির প্রতি অভিশাপ দিয়েছেন।
বা অভিযোগ করেছেন?
এরকম কি ইতিহাস কি পাওয়া যায়।
তাহলে আয়েশা (রাযিঃ) প্রতি আপনাদের এতো প্রেমের রহস্য তাহলে কি?
যে আয়েশার কুলেই আল্লাহর নবীর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এবং তার ঘরেই নবীজির দাফন হয়।
পৃথিবীর একমাত্র স্ত্রী যার ঘরেই আপন স্বামীর কবর.
যে স্বামী স্ত্রীর জীবনে প্রেম আর ভালোবাসার হৃদ্যতা ইতিহাসে বিখ্যাত।সেই দম্পত্তি নিয়ে।
তোমাদের এতো মায়া কান্না কেন?
অভিযোগ করে, কি এমন দৃষ্টান্ত ইতিহাসে স্থাপন করতে চান.
ইতিহাস কিন্তু খুব উগ্র না.
এবং সে দালাল ও না.।
ইতিহাস নবী মোহাম্মদের পরিচয় পেয়েছে.চৌদ্দশত বছর আগেই.
এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে ইতিহাসে নবী মোহাম্মদকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার দৃষ্টাতা কৌতুক ছাড়া কিছুই নয়।
হুজুর (সাঃ) ৯জন স্ত্রী ছিলেন।
যেহেতু বিষয়টি অতি বিশ্লেষণ ধর্মি বিষয়।তাই এখানে সবকটি বিবাহের কথা উল্লেখ করা হল।
কথিত মুক্ত চিন্তাশীল,যারা এই বিংশশতাব্দীতে এসে দাবী করেন।
অভিযোগ করে বসেন।একটি বিবাহ নিয়ে।সেটি হযরত আয়েশা (রাযিঃ)
এর বিবাহ নিয়ে!কোন বিষয়ের অভিযোগ কারির অভিযোগ দেখে তার চিন্তার সীমানা নির্ণয় করা যায়।
আবার অনেকে নিজকে পরিচিতি করার মানসে এই এই রকম ন্যাক্কারজনক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন।নিজেকে সব জান্তা ভেবে এই অলিক অভিযোগ করে থাকেন.আমরা জানি আজের বাংলাদেশের বাল্যবিবাহের প্রক্ষাপটে
কোন মেয়েকে যদি বিবাহ দেয়া হয়।
তাহলে সেই দায়ে মামলা করা হয় দু জন মানুষের উপর এক মেয়ের অভিভাবকের উপর আর দ্বিতীয় বরের উপর.
এখানে স্যাকুলাররা শুধু দায়ি করে।
নবী মোহাম্মদকে।কিন্তু তাদের যৌক্তি হযরত আবু বকরকে দায়ি করেনা
কারণ হয়তো অনেকেই জানেনা যে,হযরত আয়েশা হযরত আবু বকরের কন্যা বলে। তাদের জানার স্মৃতি এতই কম যে,এদের ৯ বছর বয়স দেখেই চেতনায় আগুন ধরেছে।
যদি বলা হয় প্রত্যেক বিবাহের একেকটি প্রেক্ষাপট থাকে। কিন্তু তারা সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টি না জেনেই সমালোচনার ব্রত হন।
নবী মোহাম্মদের সবচেয়ে কাছের সাথি ছিলেন।হযরত আবু বকর (রাযিঃ)যিনি উপাধী পেয়েছিলেন সিদ্দীক। নবীর হিজরতের ইংগিত পেয়ে একাধারে দরজার সাথে দাঁড়িয়ে ছিলেন অনেক দিন।
হেজরতের সময় অন্ধকার গুহায় কালনাগিনীর ছোবল খেয়েও নবী মোহাম্মদকে বুকের সাথে জড়িয়ে রাখেন। দুর্গমগিরি হাজারো পাহাড় উপত্যকা পাড়ি দিতে নবীজির সাথে ছায়া হয়ে থাকেন।যে আবু বকর সারাটি জীবন নবীর জন্য উৎসর্গ করে দিলেন।নিজের সুখ দুঃখ জীবন সব কিছু অর্পণ করলেন মোহাম্মদের জন্য।সেই আবু বকরের আবদার কোন যৌক্তিকতায় নবীজি নাকচ করবেন।সেই কাজতো কোন পাষাণ হৃদসম্পন্ন ব্যক্তি করতে পারেনা।
আমার নবীতো সমগ্র জাতির রহমত স্বরূপ। তিনিতো পাষাণ নয়।অতি কঠোর নয়।আরব্য রীতি অনুযায়ী আবু বকর আপন মেয়ের বিবাহের
ব্যপারে চিন্তায় মগ্ন হলেন।
সেই সময় কন্যার অভিভাবক আপন ব্যক্তির জন্য পছন্দের পাত্র টিক করে রাখতেন।আর এই কাজটি অনেক ছোট থাকতেই অনেক সময় করা হত.যেমন হযরত আয়েশা (রাযিঃ)
এর ব্যাপারে করা হয়েছিলো।এটি এমন কোন কাজ নয় যাহা একমাত্র আয়েশা (রাযিঃ) র জন্য করা হয়েছিলো।এটি সেই সময়কার আরব্যরীতি ছিলো।
হযরত আবুবকর নিজের মেয়ের বিবাহের জন্য উমরকে প্রস্তাব করলেন।কিন্তু উমর সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।তারপর মেয়ের বিবাহের প্রস্তাব দেন উসমান (রাযিঃ)
কে তিনিও সেইই প্রস্তাব খারিজ করে দেন।কিন্তু তিনি না থেমে প্রস্তাবটি করেন আলী (রাযিঃ) কাছে কিন্তু অতি দুঃখ ইতিহাস এমন বলে যে,আলী ও আবু বকরের সেই প্রস্তাব ফিরে দেন.
অবাক ও দিশেহারা হন আবু বকর।কেননা তিনি চেয়েছিলে মেয়ের জন্য উন্নত পাত্র।
কিন্তু প্রথম সারির তিনজন সাহাবী ই প্রত্যাখ্যান করে দেন আবু বকরের প্রস্তাব।তিনি নিরুপায় হয়ে শেষে যান নবী মোহাম্মদ (সাঃ) র কাছে।
তাই নবী বিতাড়িত করেননি.
আশাহত করেননি আবু বকরকে।
নবীজির সব কাজ আল্লাহর পক্ষ হতেই,ওহীর মাধ্যমে এর সমাধান আসতো।ইসলামের ইতিহাসে এই বিবাহটি কতটি গুরুত্বপূর্ণ ছিলো তার ইতিহাস পরবর্তীতে প্রকাশ হয়।
আল্লহর নবীর এমন কোন কাজ ছিলোনা যা অহেতুক বা অনর্থক।
ইসলামের ইতিহাসের এক কিংবদন্তীর অবস্থানে হযরত আয়েশা।
যিনি লক্ষাধিক হাদিসের বর্ণনাকারী এবং সাহাবাদের সময় এমন অনেক সমস্যা সমাধানে আয়েশা (রাযিঃ)
আবির্ভূত হন যা বিস্ময়ের।
যে আয়েশা নিয়ে স্যাকুল্যার মনে প্রশ্নের অন্ত নেই.তারা কি হযরত আয়েশার জীবনি ইতিহাস পড়েছেন।
ডাহামিথ্যে আর অপ্রপচারে লিপ্ত হন
তখন কি বিবেক একটু ও বাধা দেয়না।যে আয়েশার জন্য মায়াকান্না
করেন।সেই আয়েশা কি জীবনে নবীজির প্রতি অভিশাপ দিয়েছেন।
বা অভিযোগ করেছেন?
এরকম কি ইতিহাস কি পাওয়া যায়।
তাহলে আয়েশা (রাযিঃ) প্রতি আপনাদের এতো প্রেমের রহস্য তাহলে কি?
যে আয়েশার কুলেই আল্লাহর নবীর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এবং তার ঘরেই নবীজির দাফন হয়।
পৃথিবীর একমাত্র স্ত্রী যার ঘরেই আপন স্বামীর কবর.
যে স্বামী স্ত্রীর জীবনে প্রেম আর ভালোবাসার হৃদ্যতা ইতিহাসে বিখ্যাত।সেই দম্পত্তি নিয়ে।
তোমাদের এতো মায়া কান্না কেন?
অভিযোগ করে, কি এমন দৃষ্টান্ত ইতিহাসে স্থাপন করতে চান.
ইতিহাস কিন্তু খুব উগ্র না.
এবং সে দালাল ও না.।
ইতিহাস নবী মোহাম্মদের পরিচয় পেয়েছে.চৌদ্দশত বছর আগেই.
এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে ইতিহাসে নবী মোহাম্মদকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার দৃষ্টাতা কৌতুক ছাড়া কিছুই নয়।



No comments
hi freinds