Buy now

Buy now

কাদা ও গর্তে পরিনত হচ্ছে সুুনামগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী জাউয়া বাজার-চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে এলাকার জনসাধারণ।

স্টাফ রিপোর্টারঃ ভোগান্তির আরেক নাম ছাতকের জাউয়া বাজার।সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কের
ছাতক উপজেলার মধ্যবর্তী জায়গায়, জনগুরুত্বপূর্ন এ বাজারের অবস্হান।বহুবিদ সমস্যার আবর্তে হিমশিম খাচ্ছে জনগুরুত্বপুর্ণ এই বাজারটি। বাজারের প্রধান সমস্যা এখন চলাচল অনুপযোগী রাস্তা। কাদার কারনে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে এলাকার জনসাধারণ। 

১ যুগেও গুরুত্বপূর্ণ বাজারের খানা-খন্দ এলাকাটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ঠ সওজ কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো উদ্যোগ না থাকায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।
বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি হলেই হাটু-পানি আর কাদাঁ জমে এক ভয়াবহ অবস্হার সৃষ্টি হয়।
ফলে স্কুল,কলেজগামী শিক্ষার্থী ও পথচারীদের চলাচলে ও চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়।

যানবাহন চলাচলেও ভোগান্তি বেড়ে যায় বহুগুণ।
স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী সহ সাধারন মানুষকে বাজারের ওই শোচনীয় জায়গাটুকুর কাদাঁ পানি পার হতে হয় লাফিয়ে-লাফিয়ে।

এ বাজারটি সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কের মধ্যবর্তী ছাতক উপজেলারও জন গুরুত্বপূর্ন স্হানে গড়ে উঠা এলাকা। এ বাজারের উপর দিয়ে প্রতিনিয়ত দেশের রাজধানীসহ গুরুত্বপূর্ণ, জেলা-উপজেলা সদরের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ব্যাবস্হার মাধ্যম হচ্ছে সব ধরনের যানবাহন। চলাচল করে পন্যবাহী ট্রাক,পিক আপ ও কাবার্ড ভ্যানও।

ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, কুমিল্লাসহ জেলা উপজেলার থেকে ছেড়ে আসা ছোট-বড় যানবাহন এ বাজারে এসে থামে। যাএীদের কাদাঁপানি ডিঙ্গিয়ে এখান থেকেই বাসে উঠানামা করতে হয়।
একইভাবে বাস থেকে নেমে কাদাঁ পানি ডিঙ্গিয়ে কাঙ্কিত গন্তব্যে যেতে হয়।
উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জাউয়া বাজার থেকে প্রতি বছর সরকার প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব পাচেছ।

গুরুত্বপূর্ণ এ বাজারের পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যাবস্হা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্বতার সৃষ্টি হয়।বিশেষ করে জন গুরুত্বপূর্ণ বাজার এলাকার এ প্রধান সড়কটি ময়লা-আবর্জনা ও কাঁদা পানিতে সয়লাব হয়ে যায়। লাফিয়ে-লাফিয়ে পার হতে হয় বাজারে আগত জনসাধারণ,স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেনী পেশার মানুষকে।দীর্ঘ এক যুগ ধরে এ

শোচনীয় অবস্হা বিরাজ করলেও দূর্ভোগ লাঘবে সওজর সংশ্লিষ্ঠদের মাথা ব্যাথা নেই।ফলে বাধ্য হয়েই প্রতিনিয়ত দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজার হাজার মানুষকে।

দেড় কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের পড়ে ও বাজারের  রাস্তাঘাট খানাখন্দে ভরপুড়। এ নিয়ে একাধিকবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে ও কর্তৃপক্ষ নীরব।

এলাকার জনসাধারণ কর্তৃপক্ষের সু-নজর অাবশ্যক বলে মনে করেন।

No comments

hi freinds

jakwan ahmed. Powered by Blogger.