Buy now

Buy now

আমাকে ছেড়ে দাও, মায়ের কাছে যাবো…


আমাকে ছেড়ে দাও, মায়ের কাছে যাবো…’
স্টাফ রিপোর্ট:‘আমাকে ছেড়ে দাও। আমি কষ্ট পাচ্ছি। আমি মরে যাচ্ছি। আমি মায়ের কাছে যাবো…..’ রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের অস্পষ্ট স্বরে এসব কথা বলছিলেন ধর্ষণের শিকার হওয়া পাঁচ বছরের এক শিশু।
শনিবার রমেক হাসপাতালের ‘ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে’ ওই ধর্ষিতা শিশুটিকে ভর্তি করা হয়। তার বাড়ি রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নে।
শিশুটি এখনও স্কুলের গণ্ডিতে পা রাখেনি। পুরুষ আর নারী এই দু’য়ের পার্থক্যও বুঝে ওঠেনি। এরইমধ্যে তাকে ভয়ংকর বিকৃত রুচির শিকার হতে হয়েছে একজন বাবার বয়সি পুরুষের কাছে। অভিযুক্ত ধর্ষক শরিফুল ইসলাম (৪০) পেশায় চায়ের দোকানদার। তিনি প্রতিবেশী সৈয়দ আলীর ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে গত ১০ জুলাই। শিশুটির বাড়ির পাশেই শরিফুলের চায়ের দোকান। দুপুরে চায়ের দোকানের পাশে খেলছিল শিশুটি। এসময় তাকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে শরিফুল ইসলাম।
প্রজননতন্ত্রে আঘাতে রক্তক্ষরণ হতে থাকে শিশুটির। সে কান্নাকাটি করলেও অনেক সময় তাকে আটকে রাখে ধর্ষক শরিফুল।
ছাড়ার পর যন্ত্রনাকাতর শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে ওই বাড়ি থেকে বের হয়ে আসে। পরে সে তার পরিবারকে সব জানায়।
এ খবর জানতে পেরে শরিফুলের পরিবার ও কয়েকজন প্রতিবেশী এ নিয়ে কোনো বাড়াবাড়ি না করতে বলে ধর্ষিতা শিশুটির পরিবারকে। এভাবে শিশুটিতে বাড়িতে রেখে ধর্ষণের ঘটনা গোপন করার চেষ্টা হয়।
এভাবে শিশুটি ক্রমাগত গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে শনিবার দুপুরে রমেক হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি করেন তার বাবা-মা। পরে সেখান থেকে তাকে ‘ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে’ স্থানান্তর করা হয়।
ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক আবু শফি মাহমুদ বলেন, শিশুটির প্রজননতন্ত্রে ক্ষত হওয়ায় সেখানে সংক্রমণ হয়েছে। তাছাড়া তার মনোজগতে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীনতার লক্ষণ দেখা দিয়েছে। তার ভেতর এখনও প্রচণ্ড ভীতি কাজ করছে। তার নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা প্রয়োজন।
গঙ্গাচড়া থানার ওসি মো. জিন্নাত আলী জানিয়েছেন, এ ঘটনায় থানায় লিখিত আকারে মামলা দায়ের করা প্রস্তুতি চলছে। মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
সৌজন্যেঃ যুগান্তর

No comments

hi freinds

jakwan ahmed. Powered by Blogger.