কুলাউড়ায় বাবার হাতে মেয়ে খুন
কুলাউড়ায় বাবার হাতে মেয়ে খুন
কুলাউড়া প্রতিবেদক।
রিপোর্ট হোসাইন সাদ্দাম:
কে জানতো নিজেই নিজের মেয়ে রেহানাকে হত্যা করবেন আছকর আলী। গতকালকের ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় আছকর আলী দায়ি
করে আসছিলেন এমন কিছু মানুষদের যারা এই হত্যা করতে পারেন এমনটা আপনি নিজে তাদেরকে স্বচক্ষে
দেখলে অবাক হবেন.. এরা মানুষতো দুরের কথা
মনে হয়না মুরগী জবাই করতে পারবেন, তার পর
আবার এতো রাতে ঘর থেকে ডেকে তুলে হত্যা করা হয়েছে। বৈদ্যশাসন নিবাসী আমার সম্পর্কে
দাদা মোঃ মছদ্দর আলী যিনি আমাদের গ্রামের সর্দার কয়েকমাস আগে বিদেশ থেকে এসেছেন
অসুৃস্থতার কারনে। একেবারে বৃদ্ধা একজন মানুষ।
পাচ ওয়াক্ত নামাজি সত্য ও ন্যায়ে যার বিচার অটুট যতই হোক আপনজন অন্যায়ে ছাড় নেই। উনার চোখে অপারেশন মাগরিবের নামাজাটাও মসজিদে গিয়ে পড়তে পারেন না। উনি রাত ২ টায় যাবেন খুন করতে। মসদ্দর আলী কেমন মানুষ টিলাগাওএর প্রতিটা মানুষ যানে। এমন ঘটনায়
উনাকে জড়ানোটা কেউ মেনে নেয়নি। উনার বাড়িতে থাকতো আছকর কয়েকবছর ধরে। এখানে তার একটা নার্সারি বাগান আছে সেটা দেখাশোনার জন্য। যখন মছদ্দর আলী আছকর
আলীর উপর বিভিন্ন সন্দেহ জাগে, যে তাকে বাড়ি থেকে তাড়ানো উচিত, তিনি বাড়ির অভিভাবক হিসেবে যথার্থ তাড়িয়ে দেয়ায়, উনার উপর তার শত্রুতাভাপন্ন মনোভাব গড়ে ওঠে সেই রিশ মেটাতে তাক আসামী করা হয়, অতঃপর সন্দেহের তীর পাল্টা আছকর আলীর উপর পড়ে। মছদ্দর আলী এই ঘটনাটি আসামী তিনি শুনার পর বলেছিলেন, আসামী দেউক দে ধরিয়াউ নেউক দে,ঘটনাতো আল্লাহয় জানইন। যে ছেলেটার সাথে প্রেম এবং বিয়ের বিষয় নিয়ে ঝামেলা চলছিলো।ক শুনলাম সে নাকি কয়েকদিন থেকে ঢাকায়, মোবাইলে কোন সম্পৃক্তা পাওয়া যায়নি
সাম্প্রতিক। এর পর ছেলেটির উপর পুর্বের এন্ট্রি করা থানায়, যাতে প্লেনিং ভাবে ঘটনার দায়
ছেলেটার উপর পড়ে, তাই ধারনা পরিকল্পনাটা
অনেক আগে থেকে চলছিলো। কয়দিন থেকে মৃত রেহানার মা শোনলাম তার বাপের বাড়ি। ছেলে মেয়ে নিয়ে বাড়িতে আছকর আলী।
ঘটনার রাত সন্ধ্যায় ছেলে আয়াতকে তার নানা
বাড়ি পাঠিয়ে দেন তার মা কে নিয়ে পরদিন খুব
সকাল আসার জন্য। আর সেই রাতেই তিনি ঘটনাটি একা ঘরে সাঝালেন। কুলাউড়া থানার এস আই কানাই লাল চক্রবর্থী কে সহ যারা অতি দ্রুততার সাথে এই জগন্য হত্যাকান্ডের মুল উৎঘাটন করার জন্য ০৯/০৭/১৭ইং রাত অনুমানতিনটায় কুলাউড়া থানারবাগৃহাল গ্রামের আসকর আলী তার মেয়ে রেহানা বেগম(১৭)কে,, আশ্রয় গ্রামের লাল মিয়ার সাথে প্রেম করার
অপরাধে তাকে পরিকল্পিত ভাবে গলাকেটে হত্যাকরে। উক্ত হত্যার দায় প্রেমিক লাল মিয়া তা ও তার শুভাকাংখি বৈদ্যশাসন,,, পৃথিমপাশা এলাকার কয়েক জনের উপর চাপানোর অপচেস্টা চালায়। এরই সপক্ষে যুক্তি হিসাবে সে নিজ হাতে নিজের কপালে ও বামপিঠে ব্লেড দিয়ে কেটে রক্তাক্ত করে। পুলিশ (তদন্ত) বাবু
বিনয় ভূষন রায় ও এস,আই দিদার উল্লাহ স্যার দ্বয়ের উৎসাহ ও আন্তরিক সহযোগীতায়,,আজ
১০/০৭/১৭ রাতে ,সকল রহস্যের অবসান ঘটে।ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে
নিজ কন্যা হত্যাকারি আসকর আলী, স্থানীয় ৯নং টিলাগাও ইউ,পি চেয়ারম্যান জনাব
আব্দুল মালিক, স্থানীয় তিনজন ইউ,পি সদস্য, নয়াবাজার কমিটির সেক্রেটারি সহ
একাকার বহু লোকের সন্মুখে সমস্ত ঘটনার স্বীকারোক্তি প্রদান করে এবং হত্যার কাজে
ব্যবহৃত ছোড়া ও ব্লেড উপস্থাপন করে। রহস্য
উদ্ঘাটনে মাননীয় পুলিশ সুপার মৌলভীবাজার সহ উর্ধতন কর্মকর্তাগন সরজমিনে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। ঐ হত্যা
কান্ডের ব্যাপারে হত্যা মামলা জোর প্রক্রিয়া
চলছে এবং আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সত্য উদ্ঘাটন করতে পারায় দীর্ঘ সময়ের পরিশ্রমে সহযোগী সবাইকে ধন্যবাদ।
কে জানতো নিজেই নিজের মেয়ে রেহানাকে হত্যা করবেন আছকর আলী। গতকালকের ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় আছকর আলী দায়ি
করে আসছিলেন এমন কিছু মানুষদের যারা এই হত্যা করতে পারেন এমনটা আপনি নিজে তাদেরকে স্বচক্ষে
দেখলে অবাক হবেন.. এরা মানুষতো দুরের কথা
মনে হয়না মুরগী জবাই করতে পারবেন, তার পর
আবার এতো রাতে ঘর থেকে ডেকে তুলে হত্যা করা হয়েছে। বৈদ্যশাসন নিবাসী আমার সম্পর্কে
দাদা মোঃ মছদ্দর আলী যিনি আমাদের গ্রামের সর্দার কয়েকমাস আগে বিদেশ থেকে এসেছেন
অসুৃস্থতার কারনে। একেবারে বৃদ্ধা একজন মানুষ।
পাচ ওয়াক্ত নামাজি সত্য ও ন্যায়ে যার বিচার অটুট যতই হোক আপনজন অন্যায়ে ছাড় নেই। উনার চোখে অপারেশন মাগরিবের নামাজাটাও মসজিদে গিয়ে পড়তে পারেন না। উনি রাত ২ টায় যাবেন খুন করতে। মসদ্দর আলী কেমন মানুষ টিলাগাওএর প্রতিটা মানুষ যানে। এমন ঘটনায়
উনাকে জড়ানোটা কেউ মেনে নেয়নি। উনার বাড়িতে থাকতো আছকর কয়েকবছর ধরে। এখানে তার একটা নার্সারি বাগান আছে সেটা দেখাশোনার জন্য। যখন মছদ্দর আলী আছকর
আলীর উপর বিভিন্ন সন্দেহ জাগে, যে তাকে বাড়ি থেকে তাড়ানো উচিত, তিনি বাড়ির অভিভাবক হিসেবে যথার্থ তাড়িয়ে দেয়ায়, উনার উপর তার শত্রুতাভাপন্ন মনোভাব গড়ে ওঠে সেই রিশ মেটাতে তাক আসামী করা হয়, অতঃপর সন্দেহের তীর পাল্টা আছকর আলীর উপর পড়ে। মছদ্দর আলী এই ঘটনাটি আসামী তিনি শুনার পর বলেছিলেন, আসামী দেউক দে ধরিয়াউ নেউক দে,ঘটনাতো আল্লাহয় জানইন। যে ছেলেটার সাথে প্রেম এবং বিয়ের বিষয় নিয়ে ঝামেলা চলছিলো।ক শুনলাম সে নাকি কয়েকদিন থেকে ঢাকায়, মোবাইলে কোন সম্পৃক্তা পাওয়া যায়নি
সাম্প্রতিক। এর পর ছেলেটির উপর পুর্বের এন্ট্রি করা থানায়, যাতে প্লেনিং ভাবে ঘটনার দায়
ছেলেটার উপর পড়ে, তাই ধারনা পরিকল্পনাটা
অনেক আগে থেকে চলছিলো। কয়দিন থেকে মৃত রেহানার মা শোনলাম তার বাপের বাড়ি। ছেলে মেয়ে নিয়ে বাড়িতে আছকর আলী।
ঘটনার রাত সন্ধ্যায় ছেলে আয়াতকে তার নানা
বাড়ি পাঠিয়ে দেন তার মা কে নিয়ে পরদিন খুব
সকাল আসার জন্য। আর সেই রাতেই তিনি ঘটনাটি একা ঘরে সাঝালেন। কুলাউড়া থানার এস আই কানাই লাল চক্রবর্থী কে সহ যারা অতি দ্রুততার সাথে এই জগন্য হত্যাকান্ডের মুল উৎঘাটন করার জন্য ০৯/০৭/১৭ইং রাত অনুমানতিনটায় কুলাউড়া থানারবাগৃহাল গ্রামের আসকর আলী তার মেয়ে রেহানা বেগম(১৭)কে,, আশ্রয় গ্রামের লাল মিয়ার সাথে প্রেম করার
অপরাধে তাকে পরিকল্পিত ভাবে গলাকেটে হত্যাকরে। উক্ত হত্যার দায় প্রেমিক লাল মিয়া তা ও তার শুভাকাংখি বৈদ্যশাসন,,, পৃথিমপাশা এলাকার কয়েক জনের উপর চাপানোর অপচেস্টা চালায়। এরই সপক্ষে যুক্তি হিসাবে সে নিজ হাতে নিজের কপালে ও বামপিঠে ব্লেড দিয়ে কেটে রক্তাক্ত করে। পুলিশ (তদন্ত) বাবু
বিনয় ভূষন রায় ও এস,আই দিদার উল্লাহ স্যার দ্বয়ের উৎসাহ ও আন্তরিক সহযোগীতায়,,আজ
১০/০৭/১৭ রাতে ,সকল রহস্যের অবসান ঘটে।ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে
নিজ কন্যা হত্যাকারি আসকর আলী, স্থানীয় ৯নং টিলাগাও ইউ,পি চেয়ারম্যান জনাব
আব্দুল মালিক, স্থানীয় তিনজন ইউ,পি সদস্য, নয়াবাজার কমিটির সেক্রেটারি সহ
একাকার বহু লোকের সন্মুখে সমস্ত ঘটনার স্বীকারোক্তি প্রদান করে এবং হত্যার কাজে
ব্যবহৃত ছোড়া ও ব্লেড উপস্থাপন করে। রহস্য
উদ্ঘাটনে মাননীয় পুলিশ সুপার মৌলভীবাজার সহ উর্ধতন কর্মকর্তাগন সরজমিনে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। ঐ হত্যা
কান্ডের ব্যাপারে হত্যা মামলা জোর প্রক্রিয়া
চলছে এবং আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সত্য উদ্ঘাটন করতে পারায় দীর্ঘ সময়ের পরিশ্রমে সহযোগী সবাইকে ধন্যবাদ।



No comments
hi freinds