প্রতারণার নতুন কৌশল!
এ কে এম কায়সারুল আলম : আমিনুর (ছদ্মনাম) ঢাকার একটি কন্সট্রাকশন ফার্মে কাজ করতে সিলেটে থাকে ।
সাত মাস থাকার পর মশিদুল নামের একজনের সাথে পরিচয় হয় । আমিনুলের কাজের চাপ, সেই সাথে এক ইউনিয়ন থেকে আরেক ইউনিয়নে কন্সট্রাকশনের দেখভাল করতে হয় ।
ব্রিকফিল্ট থেকে শুরু করে লেবার পর্যন্ত সবাইকে টাকা পয়সা দিতে হয় । মশিদুল – আমিনুলের সাথে থাকতে চায় বিনিময়ে কিছু দিতে হবেনা ।
আমিনুলের কোন লোক দরকার না থাকলেও মশিদুলকে সাথে রাখে বিনিময়ে সাথে থাকার পারিশ্রমিক হিসেবে প্রায়ই টাকা দেয় ।
এসব টাকা নেবার পরেও ছদ্মবেশে থাকা মশিদুল পাচঁহাজার টাকা ধারও নেয় । কিনে নিয়েছে এন্ড্রয়েট মোবাইল , জুতা থেকে শুরু করে অনেক কিছুই ।
আমিনুল উদারতার কারনে রাতের বেলায় বাড়ী যাবার সময়ে তার ছোট মেয়ের জন্য চকলেট, বিস্কুট এসবও কিনে দিতো । হঠাৎ একদিন মশিদুল ১০হাজার টাকা ঈদের খরচের জন্য ধার চায় । আমিনুলের কাছে টাকা না থাকায় আর সময় মতো দিতে না পারায় গত ১৭ জুন মশিদুল ২লক্ষ টাকা চাদাঁদাবী করে। পরবর্তীতে পুলিশের সোর্স পরিচয়েও টাকা দাবী করে ।
আমিনুল থানায় ডিজি করার আগেই মশিদুল গ্রাম্যবিচারের ডাক দেয় । বিচারে মশিদুল, আমিনুলের কাছ থেকে ২০হাজার ধারের টাকা পাবে বলে জানায় ।
স্বাক্ষীও ম্যানেজ করে মশিদুল । আমিনুলের চালচলন , ব্যবহার ,লেনদেন সবকিছু বিবেচনা করে ২মাস আমিনুরের সাথে থাকায় মাত্র ১০হাজার টাকা দিয়েই সব সমাধান হয়ে যায়।
তারপরেও আমিনুর খুশী এজন্য যে , প্রায় ২ মাসে ৪০হাজার গেলেই তো বাচাঁ গেলো ? যদি প্রজেক্ট শেষে ব্যবসা করার কথা বলে কয়েক লক্ষ টাকা দাবী করতো ?



No comments
hi freinds