Buy now

Buy now

বেঁচে গেল ১০ তলা থেকে ছুড়ে ফেলা শিশুটি

bdnews24

সাতাশ তলা ভবনটি তখন জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ড; প্রাণ বাঁচাতে অনেকেই লাফিয়ে পড়ছেন ভবনটি থেকে; অনেকের মতো এক নারীও  প্রাণপ্রিয় শিশু সন্তানকে বাঁচাতে ১০ তলার জানালা দিয়ে ছুড়ে দিলেন বাইরে; নিচে জড়ো হওয়া ভিড়ের মধ্যে থেকে এক ব্যক্তি ছুটে গিয়ে লুফে নিলেন শিশুটিকে।

ঘটনাটি ঘটেছে লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে; সেখানকার ল্যাঙ্কাস্টার ওয়েস্ট ইস্টেটের লাটিমার রোডের গ্রেনফেল টাওয়ার তখন ভয়াবহ আগুনে জ্বলছিল।
সারা রাত ধরে ভবনটিতে আগুন জ্বলার পর সেখানে অন্তত ছয়জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে পুলিশ।
স্থানীয় সময় বুধবার প্রথম প্রহরে ওই ভবনে আগুন লাগার খবর পেয়ে ৪০টি ফায়ার ইঞ্জিন নিয়ে প্রায় ২০০ দমকলকর্মী আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, ভবনটিতে মানুষ আটকা পড়ে আছে। সাহায্যের জন্য চিৎকার করছে। প্রাণ বাঁচাতে ভবনটি থেকে অনেকেই লাফিয়ে পড়েছেন বলে খবর দিয়েছে গণমাধ্যমগুলো।
গ্রেনফেল টাওয়ারের ১০ তলা থেকে একটি শিশুকে ছুড়ে ফেলার ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন সামিরা লামরানি নামের একজন প্রত্যক্ষদর্শী।
তিনি জানান, এক নারী তার শিশু সন্তানকে জানালা দিয়ে ফেলে দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন। ওই নারী অপেক্ষায় ছিলেন নিচে জনতার ভিড় থেকে কেউ ছুটে এসে শিশুটিকে ধরবে।  
“এ অবস্থায় নিচে জড়ো হচ্ছিল মানুষ, তারা চিৎকার করছিল। ভবনের ওই তলার জানালাগুলো কিছুটা খোলা ছিল। জানালায় দাঁড়িয়ে এক নারী তার সন্তানকে নিচে ছুড়ে ফেলার অপেক্ষায় ছিলেন।
“শিশুটিকে জানালা দিয়ে ছুড়ে ফেলার সঙ্গে সঙ্গে এক ব্যক্তি ছুটে গিয়ে তাকে ধরে ফেলে।”  
ভবনটি থেকে আরও অনেকেই সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিল বলে জানান তিনি।
“আমার মেয়ের বান্ধবী তো একজনকে ঘরে তৈরি প্যারাসুট নিয়ে জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়তেও দেখেছে।”
জারা নামের স্থানীয় আরেক বাসিন্দা জানান, আগুন থেকে বাঁচাতে আরেক নারী ভবনের পাঁচ কিংবা ছয়তলা থেকে তার পাঁচ বছর বয়সী সন্তানকেও ছুড়ে ফেলেছে।
“এটি ছিল হলিউডের সিনেমার মতো। এক নারী তার সন্তানকে জানালা দিয়ে ছুড়ে ফেলল। আমার মনে হয় শিশুটি বেঁচে গেছে। হয়তো তার কয়েকটি হাড় ভাঙতে পারে।”
আরেক মাও তার সন্তানকে বাঁচাতে চিৎকার করছিল জানিয়ে তিনি বলেন, “কিন্তু আমাদের কিছুই করার ছিল না, শুধু দেখা ছাড়া।”  curtesy: bdnews24

No comments

hi freinds

jakwan ahmed. Powered by Blogger.