অসহায় গর্ভপাত কোন দিকে স্বাস্থ্যসেবা?
অসহায় গর্ভপাত কোন দিকে স্বাস্থ্যসেবা?
রিপোর্ট:তাজ উদ্দীন হানাফী
মানুষ মানুষের জন্য কথাটি দিনে পরিণত হচ্ছে মিথ্যায়।
নিষ্টুর দুনিয়ায় সব দুঃখ কষ্ট
মনেহয় আসহায় গরিবদের জন্য ই
আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কিছু দিন আগে বললেন, গ্রামের মানুষকে এখন আর শহরে যাওয়ার দরকার নেই। দেশের স্বাস্থ্য সেবা নাকি এতো উন্নত হয়েছে যে গ্রাম আর শহরের মধ্যে কোন ব্যবধান নাই.
দুঃখজনক হলেও সত্য গরীবদের জীবনের কোনো মূল্যনেই। বাংলাদেশের কিছু ডাক্তার কসাই। টাকা না হলে গরীব দের কপালে চিকিৎসা মিলেনা.
নোয়াখালীর সুর্বণচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করিডোরে বাচ্ছা প্রসব; '( ৫-১২-১৬ইং সোমবার আলেয়া বেগম (গ্রাম চর জিয়া উদ্দিন) এই গর্ভবতী মহিলাটির প্রসববেদনা নিয়ে সুর্বণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসলে উক্ত হাসপাতালের UH&FPO ডাঃ খলিলুর রহমানের নির্দেশে লেবার পেইন বেডে সকাল ১১:১৫ মিনিটে ভর্তি হন, কিন্তু উক্ত হাসপাতালের গাইনি কনস্যালট্রেন্ট শিরিন সোলতানা ডিউটিতে না আসায় লেবার রুমের সহকারীরা নরমাল ডেলিভারী করতে ব্যার্থ্য হয় এবং মাইজদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলে, গর্ভবতী- মহিলাদের আনা নেওয়ার জন্য সরকার ঘুষিত ফ্রী এ্যামবুলেন্সের ব্যাবস্থা থাকলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ্যামবুলেন্সের ব্যাবস্থা না করে গর্ভবতী-মহিলাটিকে উক্ত হাসপাতালের করিডোরে ফেলে রাখে, অনেকক্ষন পড়ে থাকার পর বিকাল ৩টার দিকে গর্ভবতী-মা ময়লা যুক্ত করিডোরে বাচ্ছা প্রসব করেন, কেউ এগিয়ে আসেনি, জনৈক ব্যক্তি খবর পেয়ে তার ওয়ার্ডের লোকজনের সাহায্যে মহিলাটিকে করিডোর থেকে নামিয়ে যোগে মাইজদীতে পাঠিয়ে দেয়.
সোশাল মিডিয়ায় চলে উঠেছে সমালোচনার ঝড়।সবাই চায় সুস্থ বিচার।আইনি ব্যবস্থা চায় সোশ্যাল মিডিয়া কর্মিরা।
মানুষ মানুষের জন্য কথাটি দিনে পরিণত হচ্ছে মিথ্যায়।
নিষ্টুর দুনিয়ায় সব দুঃখ কষ্ট
মনেহয় আসহায় গরিবদের জন্য ই
আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কিছু দিন আগে বললেন, গ্রামের মানুষকে এখন আর শহরে যাওয়ার দরকার নেই। দেশের স্বাস্থ্য সেবা নাকি এতো উন্নত হয়েছে যে গ্রাম আর শহরের মধ্যে কোন ব্যবধান নাই.
দুঃখজনক হলেও সত্য গরীবদের জীবনের কোনো মূল্যনেই। বাংলাদেশের কিছু ডাক্তার কসাই। টাকা না হলে গরীব দের কপালে চিকিৎসা মিলেনা.
নোয়াখালীর সুর্বণচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করিডোরে বাচ্ছা প্রসব; '( ৫-১২-১৬ইং সোমবার আলেয়া বেগম (গ্রাম চর জিয়া উদ্দিন) এই গর্ভবতী মহিলাটির প্রসববেদনা নিয়ে সুর্বণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসলে উক্ত হাসপাতালের UH&FPO ডাঃ খলিলুর রহমানের নির্দেশে লেবার পেইন বেডে সকাল ১১:১৫ মিনিটে ভর্তি হন, কিন্তু উক্ত হাসপাতালের গাইনি কনস্যালট্রেন্ট শিরিন সোলতানা ডিউটিতে না আসায় লেবার রুমের সহকারীরা নরমাল ডেলিভারী করতে ব্যার্থ্য হয় এবং মাইজদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলে, গর্ভবতী- মহিলাদের আনা নেওয়ার জন্য সরকার ঘুষিত ফ্রী এ্যামবুলেন্সের ব্যাবস্থা থাকলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ্যামবুলেন্সের ব্যাবস্থা না করে গর্ভবতী-মহিলাটিকে উক্ত হাসপাতালের করিডোরে ফেলে রাখে, অনেকক্ষন পড়ে থাকার পর বিকাল ৩টার দিকে গর্ভবতী-মা ময়লা যুক্ত করিডোরে বাচ্ছা প্রসব করেন, কেউ এগিয়ে আসেনি, জনৈক ব্যক্তি খবর পেয়ে তার ওয়ার্ডের লোকজনের সাহায্যে মহিলাটিকে করিডোর থেকে নামিয়ে যোগে মাইজদীতে পাঠিয়ে দেয়.
সোশাল মিডিয়ায় চলে উঠেছে সমালোচনার ঝড়।সবাই চায় সুস্থ বিচার।আইনি ব্যবস্থা চায় সোশ্যাল মিডিয়া কর্মিরা।



No comments
hi freinds