নারী আজ কোন পথে?
নারী আজ কোন পথে?
নারী মায়ের জাতি,তাই সদা সম্মানই তাদের জন্য অপরিহার্য।
তাই সম্মান করি,সম্মানের চোখে দেখি,অপরিহার্য প্রাপ্য বলে সুন্দর সুচারুর কথাও বলি।
আজ কালের আবর্তে এই জাতির ভাগ্যকাশে কালো মেঘের ঘোর অন্ধকার, বিপর্যয় নেমে এসেছে তাদের আকাশে,চারপাশ চার দেয়াল তাদের জন্য আজ পরিমাপ্ত নয়,যেনো এসব ও আজ তাদের বিরুদ্ধে।
কথা বলে হিনমন্যতায়,
সম্মানের এই জাতি ক্রমশ ধাবিত হচ্ছে, এক অন্ধকার অজানার পথে।
বাহ্যিক চাকচিক্যময় এই পথের পথিক বলে,
ধ্বংসের অত্বল গহ্বরে নিমজ্জিত এই জাতি,আর্তনাদ আর রোনাজারির প্লাবনে অন্ধত্ব পৃথিবীর চারিপাশ, কেউ সাড়া দেয়না,আশ্রয়ের হাত বাড়ায়না,সম্মানের কথা বলেনা,
নিমজ্জিত পরিনত দেখেও কিছুটা বিস্মিত হয়না,তাদের জন্য কাদেনা,যেনো দাবানল,যেনো কোন চারপায়ি,যেনো রাক্ষসী, যেনো হিংস্র,যেনো কোন চতুষ্পদ।
যেনো কোন খেকো।
এসব কেন?
কিসে কারণ, যার জন্য এমন জঘন্য আক্রোশে ওরা পিষ্ট,দোষ! সেটি কার?এ এক প্রশ্নের আচলে লম্বা এক উত্তান,পথনের এক রহস্যময় গল্প,
এক সময় মায়ের জাতিরা রক্ষিতা হতো,রাজা বাদশাহদের আচলের নীচে নিজেকে বিলিয়ে দিতো,অনেক ক্ষেত্রে তা করতে বাধ্যও হতো,আরবের মরুপ্রান্তর মরীচিকার চাকচিক্য ছিলো,কিন্তু মানুষ ছিলো কোন ইতর প্রাণীতে,নিজেদের পরিচয় নিজেরাই ভূলে গিয়েছিলো,
নারীদের ব্যাপারে সে সময়কার অবস্থা ছিলো এক নিষ্টুর ক্রান্ত,
মর্যাদা কি ছিলো?মেয়ে জন্মের গ্লানি ছিলো প্রচণ্ড, ছিলো পাপ,মেয়ের বাবা পরিচয় ছিলো এক প্রকার অভিশাপ,
জীবিত মাটিতে পুতে ফেলার ইতিহাস ছিলো তখনকার সমাজে,
জীবন্ত অগ্নিতে দগ্ধ হতে হতো মেয়ে জাতিদের,
সেই সময়কার নীতি ছিলো কঠোর,রীতিও ছিলো এক বৈষম্যর চাদর রূপে।তখনকার আরবের প্রতিটি রন্ধেই বিরাজ করছিলো প্রচণ্ড রকমের ক্যান্সার ব্যাধি, উত্তরণের পথ ছিলোনা কারো জানা,
সবাই হাহাকার,আর চিন্তিত, নারী জাতির ব্যাপারটি সবচেয়ে গুরুতর ছিলো,কেননা জন্মদারী মমতাময়ীর কাছে ছিলো মেয়ের ভালোবাসা, প্রসবের তীর্ব কস্টের পরে একটি সন্তানের মূখ অবলোকন, তার প্রতি ভালোবাসা এটি খোদা প্রদত্তই, আল্লাহর দান,কিন্তু সে সময়কার পুরুষ শাষিত সমাজে তারা ছিলো নির্বাক, শক্তিহীন পদার্থ, বলপ্রয়োগে ছিলোনা কোন অবস্থা,শুধু নীরবেই মেনে নিতে হতো,অন্যায় অনাচার, সমাজের অবিচার তখন শুধু মেনে নিতেই হতো মাথা পেতে,
সেই সময়কার ইতিহাসে যে করুণ চেহারা দেখা যায়,তা সত্যিই অবিশ্বাস্য,মরুভূমির মরুপ্রান্তে মানুষরাও যেন মানুষরূপি হিংস্র দাবানল ছিলো তা সত্যিই মানব ইতিহাসের কলঙ্ক,বাবার ভ্রমণ কালে জন্ম নিলো এক সন্তান,মায়ের প্রসব বেদনার পর উপহার আসলো,একটি ফুটফুটে সন্তান সেটি মেয়ে,তখনতো পাপ ছিলো তার জন্মের,বাবার পরিচয় ছিলো সমাজে অভিশাপ,
কিন্তু বাবা যে সফরে,তাই মায়ের আদরে মেয়েটি বাড়ন্তির দিকে,সে এখন কিশোরী জগতে,
সুন্দর লাবণ্যময় চেহারার মেয়েটি এখন মাকে মুখ ভরে মা ডাকতে শুরু করেছে কিযে ভালো লাগা,কি যে প্রাপ্তি,তা শুধু একজন "মা" ই অনুধাবন করতে পারে,মমতাময়ী মায়ের কাজে এই মেয়েটি এখন সাহায্যও করে,
মায়ের কাজের পথে সে এখন সাহায্য কারি,মায়ের সাথে অবলিলায় মেয়েটি বাড়ন্ত কৌশরী,মায়ের চিন্তার ছাপ কে দেখে,কলিজার টুকরা আমার মেয়েটি এখন অনেক বড়,
কিন্তু তার বাবা যে সফরে সেতো জানেনা তার একটি মেয়ে সন্তান হয়েছে?এমনটি জানলে সে কি করবে?আমার মেয়েকে পুতে দিবে নাতো?না থাকে বেচে থাকার অধকার দিবো,তিনি কি উত্তর দিবে,স্বামীর এমন প্রশ্নে এই মেয়েটি কার?
মেয়ে বারংবার প্রশ্নও করে মা বাবা কোথায়?
মেয়ের জবাবে মা বাবা সফরে আসবে,তোমাকে আদরও করবে,অনেক কিছুই নিয়ে আসবে,শুধু তোমার জন্য,
এমন শান্তনা কি মিছে দিচ্ছি মেয়েকে,সেকি জানে এই সমাজে তার জন্ম পাপ, অপরাধ এই জগতে তার বসবাস,হঠাৎ একদিন তার বাবার আগমন,সফর শেষে বহুদিন পর বাড়ীতে,এসে দেখেন খুব সুন্দর এক মেয়ে,অনেক ভালো করে কথা বলতে পারে,হাসির চিলিক যেকোন পাষাণ মনকে কিছু সময়ের জন্য হাসাতে পারে,স্বামী আবেগের সাথে তার গতিবিধি লক্ষ করলেন,কিন্তু চিন্তায় মমতাময়ী,রাতের খানা পিনার,বিছানায় যখন স্বামী স্ত্রী দীর্ঘ দিনের বিচ্ছেদের পর, একত্রিত হওয়া,তখন পরস্পর ভালোবাসার মাত্রা ও ছিলো বেশি,
আলাপচারীতায় এই দম্পতী,
হঠাৎ প্রশ্ন এই মেয়েটি কার?আকাশ ভেঙ্গে পড়ল মায়ের মাথায়?
কি উত্তর দিবেন স্বামিকে?
সত্য নাকি মিথ্যা??
বিভিন্ন ভাবে বুঝিয়ে অবশেষ,
আমাদের একটি কন্যা সন্তান হয়েছে,আর এই মেয়েটিই আমাদের সন্তান,
বাবা রেগে গেলেন,হিংস্রার আগুনে জ্বলতে লাগল তার হৃদ।
কন্যা জন্মের অপমানি চেহারা কিভাবে দেখাবেন এই সমাজকে?
দিনের প্রভাত চেয়ে গেলো,যখন মেয়েটিও জেনে গেলো আগন্তুক তার বাবা তার কি যে আনন্দ,বাবা বাবা বলে চারিপাশ মাতিয়ে তুলছে,কি যে সেই ক্ষণ কিন্তু বাবা পাষাণ,
আমি মেয়ে জন্মের কারক হতে চাইনা,এই সমাজে মেয়ে জন্ম অপরাধ,আমি কিভাবে সহ্য করব এই গ্লানি,হইনা,হতে পারেনা।
ষড়যন্ত্রের জাল আকতে শুরু করে বাবা,মমতাময়ী মাকে বলে তোমার
তাই সম্মান করি,সম্মানের চোখে দেখি,অপরিহার্য প্রাপ্য বলে সুন্দর সুচারুর কথাও বলি।
আজ কালের আবর্তে এই জাতির ভাগ্যকাশে কালো মেঘের ঘোর অন্ধকার, বিপর্যয় নেমে এসেছে তাদের আকাশে,চারপাশ চার দেয়াল তাদের জন্য আজ পরিমাপ্ত নয়,যেনো এসব ও আজ তাদের বিরুদ্ধে।
কথা বলে হিনমন্যতায়,
সম্মানের এই জাতি ক্রমশ ধাবিত হচ্ছে, এক অন্ধকার অজানার পথে।
বাহ্যিক চাকচিক্যময় এই পথের পথিক বলে,
ধ্বংসের অত্বল গহ্বরে নিমজ্জিত এই জাতি,আর্তনাদ আর রোনাজারির প্লাবনে অন্ধত্ব পৃথিবীর চারিপাশ, কেউ সাড়া দেয়না,আশ্রয়ের হাত বাড়ায়না,সম্মানের কথা বলেনা,
নিমজ্জিত পরিনত দেখেও কিছুটা বিস্মিত হয়না,তাদের জন্য কাদেনা,যেনো দাবানল,যেনো কোন চারপায়ি,যেনো রাক্ষসী, যেনো হিংস্র,যেনো কোন চতুষ্পদ।
যেনো কোন খেকো।
এসব কেন?
কিসে কারণ, যার জন্য এমন জঘন্য আক্রোশে ওরা পিষ্ট,দোষ! সেটি কার?এ এক প্রশ্নের আচলে লম্বা এক উত্তান,পথনের এক রহস্যময় গল্প,
এক সময় মায়ের জাতিরা রক্ষিতা হতো,রাজা বাদশাহদের আচলের নীচে নিজেকে বিলিয়ে দিতো,অনেক ক্ষেত্রে তা করতে বাধ্যও হতো,আরবের মরুপ্রান্তর মরীচিকার চাকচিক্য ছিলো,কিন্তু মানুষ ছিলো কোন ইতর প্রাণীতে,নিজেদের পরিচয় নিজেরাই ভূলে গিয়েছিলো,
নারীদের ব্যাপারে সে সময়কার অবস্থা ছিলো এক নিষ্টুর ক্রান্ত,
মর্যাদা কি ছিলো?মেয়ে জন্মের গ্লানি ছিলো প্রচণ্ড, ছিলো পাপ,মেয়ের বাবা পরিচয় ছিলো এক প্রকার অভিশাপ,
জীবিত মাটিতে পুতে ফেলার ইতিহাস ছিলো তখনকার সমাজে,
জীবন্ত অগ্নিতে দগ্ধ হতে হতো মেয়ে জাতিদের,
সেই সময়কার নীতি ছিলো কঠোর,রীতিও ছিলো এক বৈষম্যর চাদর রূপে।তখনকার আরবের প্রতিটি রন্ধেই বিরাজ করছিলো প্রচণ্ড রকমের ক্যান্সার ব্যাধি, উত্তরণের পথ ছিলোনা কারো জানা,
সবাই হাহাকার,আর চিন্তিত, নারী জাতির ব্যাপারটি সবচেয়ে গুরুতর ছিলো,কেননা জন্মদারী মমতাময়ীর কাছে ছিলো মেয়ের ভালোবাসা, প্রসবের তীর্ব কস্টের পরে একটি সন্তানের মূখ অবলোকন, তার প্রতি ভালোবাসা এটি খোদা প্রদত্তই, আল্লাহর দান,কিন্তু সে সময়কার পুরুষ শাষিত সমাজে তারা ছিলো নির্বাক, শক্তিহীন পদার্থ, বলপ্রয়োগে ছিলোনা কোন অবস্থা,শুধু নীরবেই মেনে নিতে হতো,অন্যায় অনাচার, সমাজের অবিচার তখন শুধু মেনে নিতেই হতো মাথা পেতে,
সেই সময়কার ইতিহাসে যে করুণ চেহারা দেখা যায়,তা সত্যিই অবিশ্বাস্য,মরুভূমির মরুপ্রান্তে মানুষরাও যেন মানুষরূপি হিংস্র দাবানল ছিলো তা সত্যিই মানব ইতিহাসের কলঙ্ক,বাবার ভ্রমণ কালে জন্ম নিলো এক সন্তান,মায়ের প্রসব বেদনার পর উপহার আসলো,একটি ফুটফুটে সন্তান সেটি মেয়ে,তখনতো পাপ ছিলো তার জন্মের,বাবার পরিচয় ছিলো সমাজে অভিশাপ,
কিন্তু বাবা যে সফরে,তাই মায়ের আদরে মেয়েটি বাড়ন্তির দিকে,সে এখন কিশোরী জগতে,
সুন্দর লাবণ্যময় চেহারার মেয়েটি এখন মাকে মুখ ভরে মা ডাকতে শুরু করেছে কিযে ভালো লাগা,কি যে প্রাপ্তি,তা শুধু একজন "মা" ই অনুধাবন করতে পারে,মমতাময়ী মায়ের কাজে এই মেয়েটি এখন সাহায্যও করে,
মায়ের কাজের পথে সে এখন সাহায্য কারি,মায়ের সাথে অবলিলায় মেয়েটি বাড়ন্ত কৌশরী,মায়ের চিন্তার ছাপ কে দেখে,কলিজার টুকরা আমার মেয়েটি এখন অনেক বড়,
কিন্তু তার বাবা যে সফরে সেতো জানেনা তার একটি মেয়ে সন্তান হয়েছে?এমনটি জানলে সে কি করবে?আমার মেয়েকে পুতে দিবে নাতো?না থাকে বেচে থাকার অধকার দিবো,তিনি কি উত্তর দিবে,স্বামীর এমন প্রশ্নে এই মেয়েটি কার?
মেয়ে বারংবার প্রশ্নও করে মা বাবা কোথায়?
মেয়ের জবাবে মা বাবা সফরে আসবে,তোমাকে আদরও করবে,অনেক কিছুই নিয়ে আসবে,শুধু তোমার জন্য,
এমন শান্তনা কি মিছে দিচ্ছি মেয়েকে,সেকি জানে এই সমাজে তার জন্ম পাপ, অপরাধ এই জগতে তার বসবাস,হঠাৎ একদিন তার বাবার আগমন,সফর শেষে বহুদিন পর বাড়ীতে,এসে দেখেন খুব সুন্দর এক মেয়ে,অনেক ভালো করে কথা বলতে পারে,হাসির চিলিক যেকোন পাষাণ মনকে কিছু সময়ের জন্য হাসাতে পারে,স্বামী আবেগের সাথে তার গতিবিধি লক্ষ করলেন,কিন্তু চিন্তায় মমতাময়ী,রাতের খানা পিনার,বিছানায় যখন স্বামী স্ত্রী দীর্ঘ দিনের বিচ্ছেদের পর, একত্রিত হওয়া,তখন পরস্পর ভালোবাসার মাত্রা ও ছিলো বেশি,
আলাপচারীতায় এই দম্পতী,
হঠাৎ প্রশ্ন এই মেয়েটি কার?আকাশ ভেঙ্গে পড়ল মায়ের মাথায়?
কি উত্তর দিবেন স্বামিকে?
সত্য নাকি মিথ্যা??
বিভিন্ন ভাবে বুঝিয়ে অবশেষ,
আমাদের একটি কন্যা সন্তান হয়েছে,আর এই মেয়েটিই আমাদের সন্তান,
বাবা রেগে গেলেন,হিংস্রার আগুনে জ্বলতে লাগল তার হৃদ।
কন্যা জন্মের অপমানি চেহারা কিভাবে দেখাবেন এই সমাজকে?
দিনের প্রভাত চেয়ে গেলো,যখন মেয়েটিও জেনে গেলো আগন্তুক তার বাবা তার কি যে আনন্দ,বাবা বাবা বলে চারিপাশ মাতিয়ে তুলছে,কি যে সেই ক্ষণ কিন্তু বাবা পাষাণ,
আমি মেয়ে জন্মের কারক হতে চাইনা,এই সমাজে মেয়ে জন্ম অপরাধ,আমি কিভাবে সহ্য করব এই গ্লানি,হইনা,হতে পারেনা।
ষড়যন্ত্রের জাল আকতে শুরু করে বাবা,মমতাময়ী মাকে বলে তোমার
তোমার মেয়েকে নিয়ে আজ দাওয়াত খেতে যাব,সাজিয়ে গুজিয়ে মা মেয়েকে প্রস্তুত করেন,
বাবা মেয় এখন আরবের মরীচিকায়,ক্রমশ চলছে,
মেয়েটি কখনো বাবার সামন অতিক্রম করে দ্রুত চলার তাকিদ দিচ্ছে,আর কতদুর বাবা,এমন কায়মনোবাক্যে ও তখনকার পাষাণ হৃদের এই পুরুষের মন গলেনি,তিনি থাকে নিয়ে চললেন,
হঠাৎ উতপ্ত মরুভূমির পথে যাত্রা থামল,বাবা এখানে থামলে কেন?
যখন বাবা মরুভূমির এই গহনে একটি গর্ত করছিলো,বাবা এখানে একি করেন?আমরাতো দাওয়াত খেতে যাব,আমাদের দেরী হয়ে যাচ্ছে,চলেননা বাবা,রৌদ্রের থাপে কস্ট হচ্ছে বাবা,প্রায় এখন শেষের দিকে,বাবা মেয়েকে কোলে তুলে চলল সেই গর্তের দিকে,এদিকে কেন বাবা,কোন উত্তর নেই বাবার পক্ষ থেকে,অবশেষ যখন চাপা মাটি দিতে শুরু করল,তখন মেয়েটির শেষ আর্তনাদ ছিলো,আমাকে এভাবে চাপা দিচ্ছেন কেন?বাবা আমার যে কস্ট হচ্ছে,আমি কি অপরাধ করেছি?আমার কস্ট হচ্ছে,আমি মায়ের কাছে চলে যাব আমাকে নিয়ে চলেন,কিন্তু বাবা চাপা মাটি দিতেই লাগল,অবশেষ মেয়েটি আমার মা কি করবে আপনি যে আমাকে মেরে ফেলছেন?
আপনি কি বলবেন?
আমি কি কোন অপরাধ করেছি?.
অতঃপর মেয়েটির আর কোন কথা শুনা যায়নি,থাকে জীবন্ত পুতে দাফন করা হল,
বলছিলাম আরব্যর সেই সময়কার নারী অধিকারের কথা,
কেমন ছিলো প্রাপ্য?অধিকার কি ছিলো,বাবার সম্পত্তির অংশ?না তখন বেচে থাকারও অধিকার ছিলোনা,পুরুষ শাসিত এই সমাজে,কেন এমন নৃসংশ রীতি ছিলো, কি ছিলনা তখন?
__ইহুদী ধর্ম কি ছিলোনা?
_ছিলো তো খৃষ্টান ধর্ম?
_নাস্তিকরা তো তখন ছিলো সমাজের প্রভূ।
অগ্নিপূজা করত,আল্লাহকে অস্বিকার করত।
পৃথিবীকে প্রকৃতিক নিয়মে জন্মের কথা বলত।
তাহলে কেন এসব সেই কুসংস্কার রোধে এগিয়ে আসলনা,
না তাদের আচলের নীচেই জন্ম নিয়েছিলো এসব?
_কি ছিলো তাদের অবধান?
নারী জাতির এহেন পরিস্তির বেলায় এরা কি শুধু মুখ বুঝে চেয়েছিলো।
দায়িত্ব কি ছিলোনা এদের বেচে থাকার অধিকার দিতে?
__না এমনটি এরা চায়নি।
_চেয়েছিলো রক্ষিতা করতে তাই করেছিলো।
__চেয়েছিলো সেই সমাজ
__তাদের কে পন্য বানাতে,
__তাও তারা অধিকার করে।
__ভোগের পাত্র হিসাবে নারী জাতিকে চেয়েছিলো তাই তারা এমন সমাজ গড়েছিলো।
তখনকার নারী সমাজের অবস্থাও ছিলো করুণ।
মেয়েরা নিজেদের উপস্থিত করত পণ্য হিসাবে,হাটে ঘাটে নারীরা আকর্সিত করত পুরুষকে।
__তখনকার পুরুষেরাও ভাবত তাদের ভোগের বস্তু হিসাবে,
কতটা নিকৃষ্ট ছিলো তখনকার সমাজ,
প্রচলিত সমাজের রীতিটা যে কতটা ভয়াবহ ছিলো!
"নবুয়তে মুহাম্মদীর আবির্ভাবের পূর্বে আরব অনারব এমনকি বিশ্বে কোথাও সামাজিক রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নারীর কোন মর্যাদা ছিলনা।
___নারী জাতি ছিল লাঞ্ছিতা,
__বঞ্চিতা,
_ঘৃনিতা এবং অস্পৃশ্য।
যার মনে যত চাইত বিবাহ করত,কন্যা সন্তান জন্ম হলে জীবন্ত মাটিতে পুতে ফেলত উত্তরাধিকাররিত্বে তাদের কোন পাওনা ছিলনা।হিন্দু ধর্মে কোন মহিলা বিধবা হলে তাকে জীবন্ত ঝাপ দিতে হত স্বামীর চিতায়।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানব জাতির মানকে উন্নত করেন,এবং নারী জাতির মান অনেক উর্ধে পৌছে দেন।তিনি ঘোষণা দেন যে তারাও সম্মানের পাত্রী।পিতাকে বোঝান যে,কন্যা সন্তানকে জীবন্ত দাফন করা মহাপাপ।স্বামীকে বুঝিয়েছেন, স্ত্রী হল আল্লাহর এক বিশেষ দান।
যার মান অনেক।সন্তানকে বুঝিয়েছেন যে,
মায়ের পদতলে হল জান্নাত।
ফলে তার মান অনেক।ইসলাম নারীদেরকে উত্তরাধিকারিত্বে শুধু অংশিদারিই বানায়নি, বরং তাদের অংশ এবং তাদের সংখ্যাই তাতে বেশি। নারী জাতি যে সম্মানের পাত্রী,তাদেরও কিছু অধিকার থাকা উচিৎ এ চেতনা ফিরে পেয়েছে পাশ্চাত্য মাত্র দেড়শত বছর পূর্বে।আর ইসলাম তাদেরকে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত করেছে দীর্ঘ চৌদ্দশত বছর পূর্বে„
[পাশ্চাত্য মনীষীদের দৃষ্টিতে রাসুলে আকরাম (সাঃ) পৃঃ২৩২]
বাবা মেয় এখন আরবের মরীচিকায়,ক্রমশ চলছে,
মেয়েটি কখনো বাবার সামন অতিক্রম করে দ্রুত চলার তাকিদ দিচ্ছে,আর কতদুর বাবা,এমন কায়মনোবাক্যে ও তখনকার পাষাণ হৃদের এই পুরুষের মন গলেনি,তিনি থাকে নিয়ে চললেন,
হঠাৎ উতপ্ত মরুভূমির পথে যাত্রা থামল,বাবা এখানে থামলে কেন?
যখন বাবা মরুভূমির এই গহনে একটি গর্ত করছিলো,বাবা এখানে একি করেন?আমরাতো দাওয়াত খেতে যাব,আমাদের দেরী হয়ে যাচ্ছে,চলেননা বাবা,রৌদ্রের থাপে কস্ট হচ্ছে বাবা,প্রায় এখন শেষের দিকে,বাবা মেয়েকে কোলে তুলে চলল সেই গর্তের দিকে,এদিকে কেন বাবা,কোন উত্তর নেই বাবার পক্ষ থেকে,অবশেষ যখন চাপা মাটি দিতে শুরু করল,তখন মেয়েটির শেষ আর্তনাদ ছিলো,আমাকে এভাবে চাপা দিচ্ছেন কেন?বাবা আমার যে কস্ট হচ্ছে,আমি কি অপরাধ করেছি?আমার কস্ট হচ্ছে,আমি মায়ের কাছে চলে যাব আমাকে নিয়ে চলেন,কিন্তু বাবা চাপা মাটি দিতেই লাগল,অবশেষ মেয়েটি আমার মা কি করবে আপনি যে আমাকে মেরে ফেলছেন?
আপনি কি বলবেন?
আমি কি কোন অপরাধ করেছি?.
অতঃপর মেয়েটির আর কোন কথা শুনা যায়নি,থাকে জীবন্ত পুতে দাফন করা হল,
বলছিলাম আরব্যর সেই সময়কার নারী অধিকারের কথা,
কেমন ছিলো প্রাপ্য?অধিকার কি ছিলো,বাবার সম্পত্তির অংশ?না তখন বেচে থাকারও অধিকার ছিলোনা,পুরুষ শাসিত এই সমাজে,কেন এমন নৃসংশ রীতি ছিলো, কি ছিলনা তখন?
__ইহুদী ধর্ম কি ছিলোনা?
_ছিলো তো খৃষ্টান ধর্ম?
_নাস্তিকরা তো তখন ছিলো সমাজের প্রভূ।
অগ্নিপূজা করত,আল্লাহকে অস্বিকার করত।
পৃথিবীকে প্রকৃতিক নিয়মে জন্মের কথা বলত।
তাহলে কেন এসব সেই কুসংস্কার রোধে এগিয়ে আসলনা,
না তাদের আচলের নীচেই জন্ম নিয়েছিলো এসব?
_কি ছিলো তাদের অবধান?
নারী জাতির এহেন পরিস্তির বেলায় এরা কি শুধু মুখ বুঝে চেয়েছিলো।
দায়িত্ব কি ছিলোনা এদের বেচে থাকার অধিকার দিতে?
__না এমনটি এরা চায়নি।
_চেয়েছিলো রক্ষিতা করতে তাই করেছিলো।
__চেয়েছিলো সেই সমাজ
__তাদের কে পন্য বানাতে,
__তাও তারা অধিকার করে।
__ভোগের পাত্র হিসাবে নারী জাতিকে চেয়েছিলো তাই তারা এমন সমাজ গড়েছিলো।
তখনকার নারী সমাজের অবস্থাও ছিলো করুণ।
মেয়েরা নিজেদের উপস্থিত করত পণ্য হিসাবে,হাটে ঘাটে নারীরা আকর্সিত করত পুরুষকে।
__তখনকার পুরুষেরাও ভাবত তাদের ভোগের বস্তু হিসাবে,
কতটা নিকৃষ্ট ছিলো তখনকার সমাজ,
প্রচলিত সমাজের রীতিটা যে কতটা ভয়াবহ ছিলো!
"নবুয়তে মুহাম্মদীর আবির্ভাবের পূর্বে আরব অনারব এমনকি বিশ্বে কোথাও সামাজিক রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নারীর কোন মর্যাদা ছিলনা।
___নারী জাতি ছিল লাঞ্ছিতা,
__বঞ্চিতা,
_ঘৃনিতা এবং অস্পৃশ্য।
যার মনে যত চাইত বিবাহ করত,কন্যা সন্তান জন্ম হলে জীবন্ত মাটিতে পুতে ফেলত উত্তরাধিকাররিত্বে তাদের কোন পাওনা ছিলনা।হিন্দু ধর্মে কোন মহিলা বিধবা হলে তাকে জীবন্ত ঝাপ দিতে হত স্বামীর চিতায়।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানব জাতির মানকে উন্নত করেন,এবং নারী জাতির মান অনেক উর্ধে পৌছে দেন।তিনি ঘোষণা দেন যে তারাও সম্মানের পাত্রী।পিতাকে বোঝান যে,কন্যা সন্তানকে জীবন্ত দাফন করা মহাপাপ।স্বামীকে বুঝিয়েছেন, স্ত্রী হল আল্লাহর এক বিশেষ দান।
যার মান অনেক।সন্তানকে বুঝিয়েছেন যে,
মায়ের পদতলে হল জান্নাত।
ফলে তার মান অনেক।ইসলাম নারীদেরকে উত্তরাধিকারিত্বে শুধু অংশিদারিই বানায়নি, বরং তাদের অংশ এবং তাদের সংখ্যাই তাতে বেশি। নারী জাতি যে সম্মানের পাত্রী,তাদেরও কিছু অধিকার থাকা উচিৎ এ চেতনা ফিরে পেয়েছে পাশ্চাত্য মাত্র দেড়শত বছর পূর্বে।আর ইসলাম তাদেরকে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত করেছে দীর্ঘ চৌদ্দশত বছর পূর্বে„
[পাশ্চাত্য মনীষীদের দৃষ্টিতে রাসুলে আকরাম (সাঃ) পৃঃ২৩২]
বিশ্বে নারী সমাজ আজ ঝাপিয়ে পড়ছে তাদের স্বাধীনতা আদায় করতে।সংগ্রাম চালাচ্ছে পুরুষের অধিকারকে হরণ করতে।প্লাকার্ড
হাতে জোর গলায় আওয়াজ তুলছে, "সামাজিক শাসনের বলে নারীকে দাবিয়ে রাখা যাবেনা,নারীকে কোণঠাসা করে রাখবার সর্বপ্রকার কুপ্রচেষ্টার মাথায় কুঠারাঘাত হানতে হবে।নারী জীবন্ত,প্রাণপূর্ণ, এবং প্রচুর সম্ভাবণাময় সৃষ্টি।নারী পাথর নয়।গাছ নয়।এবং চতুষ্পদ জন্তু নয়।
পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তারা জীবনের সর্বক্ষেত্রই সমান অধিকার আদায় করবে।শাস্ত্রের দোহাই,
ধর্মের বাধা,সমাজের অনুশাসন মানবেনা"
তাদের আওয়াজ আজ ব্যর্থ হয়নি।এব্যাপারে তাদের যতেষ্ট অগ্রগতি ও হয়েছে। আজ নারী -সমাজ বল্গাহীন অশ্বের ন্যায় 'সহীসকে 'ভ্রুকুটি দেখিয়ে নিজের খেয়ালখুশি মাফিক চলছে। আজ আর তারা ভীরু নয়,আজ তারা কারো অধিকারে নয়।নিজের স্বামীকে তারা আজ দেবতা বলে মানতে রাজি নয়।স্বামীর পদপ্রান্তে বেহেশত এ মহাবাণীকে স্মরণ করে তাদের সুখ-সুবিধা বিসর্জন দিতে রাজি নয়।ভ্রমর যেমন নতুন নতুন ফুলে বসে বিভিন্ন মধুর স্বাদ গ্রহণ করতে ব্যস্ত থাকে।প্রগতিশীল নারী সমাজও আজ সেইরূপ নতুনত্বের আস্বাদন গ্রহনে ব্যস্ত।স্বীয় গণ্ডির মধ্যে পর্দার অন্তরালে মানবগোষ্ঠীর সংরক্ষণণ ও প্রতিপালনের মহান দায়িত্বের মধ্যে আজ আর তারা আবদ্ধ নেই।
'লজ্জা' শব্দটির মাথায় পদাঘাত করেই তারা বের হয়ে এসেছে রাস্তাঘাটে,হোটেলে,রেস্তারায় হাটে ও বাজারে।স্বামীর চোখে ধুলো দিয়ে, শরীয়তের বিধান লংগন করে।বাপ মার স্নেহ মায়া পরিত্যাগ করে নতুন বন্ধুর হাতে হাত ধরে যৌনকামনা পরিতৃপ্ত করেছে।এই কি প্রগতি?প্রগতির অর্থ যদি এই হয় তাহলে এইই প্রগতির মাথায় লাথি মেরে চিরজীবনের জন্যই একে বিসর্জন দিয়ে অধোগতির পথ বেছে নেওয়াই শ্রেষ্ঠ। নারীকে আজ যে স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে,যে প্রগতির পথে তাদের তুলে দেয়া হচ্ছে সে পথ তাদের আলোর পথ নয়।
সে পথ উদ্দেশ্যহীন।সে পথ কণ্টকপূর্ণ। সে পথ অন্ধকারের পথ।
অত্যাধুনিক পরিবারে মেয়েরা স্বামীর কাছে কোলের শিশুকে রেখে ভ্যানিটিব্যাগ হাতে মার্কেটিংয়ের নাম করে বের হয়।আর নতুন বন্ধুর স্বাদ আস্বাদন করে রুক্ষ মেজাজে ঘরে ফেরে। শুধু কি তাই?বোকা স্বামীকে ছেলের যত্ন ভাল হয়নি বলে অযথা গালাগালি দিয়ে নিজের দোষ গোপন রাখে আর পরবর্তী সুযোগের অপেক্ষা করে।
যারা আজ নিজের কর্তব্যককে ভুলে যায় তারা নিজের মাথায় কুঠারাঘাত করে। যারা বিশ্ব নিয়ন্তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করে তারা নিজের গলাতেই নিজে ফাসি ঝুলায়।যারা সমাজের শাসনকে অবহেলা করে ও বিবেকের বাধনকে টুটে ফেলে তারাই অন্যের গলায় চুরি বসায়।
যৌন প্রবৃত্তির তাগিদে যারা উন্মুক্ত প্রান্তরে নেমে আসে তারাই সমাজের জন্য সর্বনাশ ডেকে আনে, নারীরা আজ যে স্বাধীনতার আওয়াজ তুলছে
সে স্বাধীনতা সমাজের জন্য, দেশের জন্য,নিজের পরিবারের জন্য। এবং সর্বশেষ নিজের আত্মার জন্য কলঙ্কজনক।
নারী চায় যৌন কদাচারের স্বাধীনতা, নারী চায় বেশভূষা ও উলঙ্গের স্বাধীনতা।প্রগতিশীল নারীর এই দাবী।
এটি তাদের আওয়াজ।অন্যথায় সমাজ তাদের যে স্বাধীনতা দিয়েছে সেই স্বাধীনতাই তাদের জন্য যতেষ্ট।
আজ নারীকে জন্মের পর গলাটিপে হত্যা করা হয়না।নারী সন্তানকে জীবন্ত প্রোথিত করা হয়না।নারীকে মৃত্য স্বামীর সাথে সহমরণে যেতে হয়না।নারীকে শিক্ষায় পশ্চাদপদ রাখার পথে অন্তরায় সৃষ্টি করা হয়না।নারীকে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি হতে বঞ্চিত করা হয়না।নারীকে বনবাসে পাঠিয়ে বাঘ ভাল্লুকের মুখে তুলে দেয়া হয়না।
পার্থক্যের মধ্যে এই যে পুরুষ বহির্জগতের জন্য। আর নারী অন্তর্জগতের জন্য। পুরুষ জ্ঞান সাধনা ও কঠোর ব্রতের জন্য নারী সংসার চালনা ও প্রেমের জন্য।
পুরুষ বিপ্লবের জন্য,আর নারী সাম্যের জন্য।পুরুষ উপার্জনের জন্য।আর নারী গঠনের জন্য।
নারীর আবরণ তার পর্দায়।
নারীর সৌন্দর্য তার লজ্জায়।
নারীর বাহাদুরি তার ঔরসজাত সন্তান উৎপাদনে।
নারী তার এই বিশিষ্ট গুণাবলী হারালেই তাকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়।তখন তার আকর্ষণ আর আকর্ষন থাকেনা, হয় বিকর্ষণ।
পর্দার আবরণ দূরে ঠেলে দিয়ে যদি নারী নগ্নতার আশ্রয় নেয় তাহলে তাকে প্রগতি না বলে অধোগতি ই বলতে হবে।
যে নারী তার আত্মমর্যাদা বুঝে,যে তার সৃষ্টির রহস্য বুঝে,যে তার কর্তব্য পালনে জ্ঞানশীলা হয়।
সে নারী কখনই তার বিবেবকে জলাঞ্জলি দিবেনা।
পশ্চিমা সভ্যতা।
পশ্চিমারা আজ সভ্য।
এটি তাদের দাবী,পৃথিবীও আজ তাদের সেই দাবীর সাথে সহমত পোষণে ব্যস্ত,প্রাচ্যের বিপদগামি মননে তাদের চিন্তায় ভরপুর,
পশ্চিমাদের আদলে তাদের মত করে সমাজ বিনির্মাণ করতে,উন্মাদ পাগলের প্রলাপে, অন্ধত্ব বরণে, প্রায়াশ প্রচার সব কিছুতেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
পশ্চিমারা আসলেই কি সভ্য?
নারীবাদ কি সেখানে পুরোটাই নিরাপদ? তাদের কালচার তা কি গ্রহণযোগ্য?কিঞ্চিৎ পরিষরে তাদের কিছু নগ্ন কালচার দেখবো।
১। প্রতি বছর ১০ই জানুয়ারী পশ্চিমা দেশগুলো নো-প্যান্ট ডে পালন করে। এই দিনে পশ্চিমা তরুণ-তরুণীরা পাতাল রেলে প্যান্ট খুলে ঘোরাফেরা করে। এটাই তাদের সভ্যতার লক্ষণ।
২।পশ্চিমাদেশগুলো পুরুষরা স্পার্ম বা বীর্য বিক্রি করে। এই তো কিছুদিন আগে এক ব্রিটিশ পুরুষ জানালো তার বীর্যে এ পর্যন্ত ৮০০ সন্তানের জন্ম হয়েছে। বিষয়টা অনেকটা খামারের পাঠা ছাগলের মত, সমস্ত ছাগীদেরকে একটি পাঠা দিয়ে নিষিক্ত করা হয়। সুত্রঃ ৩। ইউরোপ-আমেরিকায় সারগোরেট মাদার বা গর্ভ ভাড়া দেওয়ার কালচার প্রবল। বিষয়টি সেখানে এরকম যে, পুত্র ও পুত্রবধূর নিষিক্ত সন্তান মা তার তার গর্ভে স্থান দেয়, খবরে আসে- “নাতীকে জন্ম দিলো দাদী” কিংবা নাতীকে জন্ম দিলো নানী। তাদের দৃষ্টিতে পুত্রের সন্তান নিজ গর্ভে অবস্থান দেওয়া সভ্যতাই অংশ।
৪।পৃথিবীর সবচেয়ে ধর্ষণ পীড়িত রাষ্ট্র কিংবা নারীর প্রতি যৌন হয়নারী মূলক রাষ্ট্রের শীর্ষ ১০ তালিকায় একটিও মুসলিম রাষ্ট্র নেই। অথচ সভ্যতার দাবিদার পশ্চিমাদের মধ্যে নারী নির্যাতনের মাত্রা পৃথিবীর সর্বাধিক। জরিপ বলছে- নারী ধর্ষণে সবচেয়ে এগিয়ে প্রথম অবস্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয়তে সুইডেন, পঞ্চম ব্রিটেন, ষষ্ঠ জার্মানি, সপ্তম ফ্রান্স, অষ্টম কানাডা।
৫) ইউরোপ আমেরিকার অনেক এলাকায় এখন পরিবারের নিকট আত্মীয়দের মধ্যে সেক্স বা ইনসেস্টকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। এতে কন্যা-বাবা, মা-ছেলে কিংবা ভাই-বোন নিজেদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে, যা আইনত বৈধ। ইনসেস্ট আইনত বৈধ এমন দেশগুলো হলো ফ্রান্স, পর্তুগাল, স্পেন, বেনেলাক্স, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি। এবার আপনি বলুন ইনসেস্ট
৬) পশুর সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন। যেমন কুকুর, গাধা, ঘোড়া ইত্যাদির সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা ইউরোপ-আমেরিকার অনেক দেশে আইনত বৈধ, শুধু তাই নয় সেগুলো নিয়ে পর্নোগ্রাফী তৈরী করে সেগুলো বাজারজাতকরণও বৈধ। এ তালিকায় আছে যুক্তরাষ্ট্র
(নির্দ্দিষ্ট স্টেট), ফিনল্যান্ড, জার্মানি,মেক্সিকো, রুমানিয়া ও ডেনমার্ক।
৭) লাশের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন ! শুনতে গা শিরশির করলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানাসহ ৪টি স্টেটে লাশের সাথে সেক্স করা আইনত বৈধ।আমরা কি তাহলে এমন সমাজ চাই?চাই এমন নিত্ত উলঙ্গ যৌন প্রিয় জাতি?আমরা কি চাই এমন কৃষ্টিকালচার?চাইনা সমাজের বিবর্তনে পশ্চিমাদের কালচার,যারা সমাজের কীট এক নর্তকী, তারা কি সভ্য?তাদের সভ্যতা আমাদের কাছে অসভ্যই।
যা সুস্থ বিবেক অসভ্যের দাবী জানাবে।নারীরা যুগে যুগে ছিলো অবহেলিত, লাঞ্চিত,নিপীড়িত ও পৈতৃক সম্পত্তি হতে বঞ্চিত।আল্লাহ তাদের অধিকার দিলেন,নবী মোহাম্মদ তা ঘোষণা করলেন,তবে সর্বকালের জন্য পুরুষকে দিলেন শ্রেষ্টত্ব,দায়িত্ববার দিলেন পুরুষের উপরই বেশি।পুরুষকেই কঠিন পরিশ্রমের কথা শিক্ষা দিলেন,নারীর মোহ ও মায়াজালে বেষ্টিত হয়ে যে পুরুষ নিজ সত্তাকে হারিয়ে ফেলে, সে পুরুষ ধিকৃত,লাঞ্চিত অবহেলিত।, সে অধঃপতিত না হয়ে কি আর পারে।
হে তারুণ্যঃকোথায় যাচ্ছ?
চারিদিকে এক ভয়ংকর বিষাক্ত পরিবেশে, কোথায় ছুটছে তরুণেরা, তরুণীরা তোমরাতো সমাজের অংশ, সমাজের শক্তি,তাহলে কেন আজ পণ্যে পরিণত হচ্ছে,সুন্দরী আর মডেলিং করে প্রতারিত নয় কি তুমি,?
অবাক! তুমি তরুণী তাহলে ড্রাগ নিয়ে চলছ কেন?
মদের পাত্রে কেন মোহে।
কেন তুমি গডফাদারদের
পন্যে নিমজ্জিত।
ডিশের করাল গ্রাশে তুমি যে নেকড়ে হয়ে যাচ্ছ।
বোন তুমি ভাবো!তুমি একজন "মা"
এটি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপাধি।তুমি যদি ধ্বংসী হও!পৃথিবী কিভাবে সুস্থ থাকবে?
হাতে জোর গলায় আওয়াজ তুলছে, "সামাজিক শাসনের বলে নারীকে দাবিয়ে রাখা যাবেনা,নারীকে কোণঠাসা করে রাখবার সর্বপ্রকার কুপ্রচেষ্টার মাথায় কুঠারাঘাত হানতে হবে।নারী জীবন্ত,প্রাণপূর্ণ, এবং প্রচুর সম্ভাবণাময় সৃষ্টি।নারী পাথর নয়।গাছ নয়।এবং চতুষ্পদ জন্তু নয়।
পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তারা জীবনের সর্বক্ষেত্রই সমান অধিকার আদায় করবে।শাস্ত্রের দোহাই,
ধর্মের বাধা,সমাজের অনুশাসন মানবেনা"
তাদের আওয়াজ আজ ব্যর্থ হয়নি।এব্যাপারে তাদের যতেষ্ট অগ্রগতি ও হয়েছে। আজ নারী -সমাজ বল্গাহীন অশ্বের ন্যায় 'সহীসকে 'ভ্রুকুটি দেখিয়ে নিজের খেয়ালখুশি মাফিক চলছে। আজ আর তারা ভীরু নয়,আজ তারা কারো অধিকারে নয়।নিজের স্বামীকে তারা আজ দেবতা বলে মানতে রাজি নয়।স্বামীর পদপ্রান্তে বেহেশত এ মহাবাণীকে স্মরণ করে তাদের সুখ-সুবিধা বিসর্জন দিতে রাজি নয়।ভ্রমর যেমন নতুন নতুন ফুলে বসে বিভিন্ন মধুর স্বাদ গ্রহণ করতে ব্যস্ত থাকে।প্রগতিশীল নারী সমাজও আজ সেইরূপ নতুনত্বের আস্বাদন গ্রহনে ব্যস্ত।স্বীয় গণ্ডির মধ্যে পর্দার অন্তরালে মানবগোষ্ঠীর সংরক্ষণণ ও প্রতিপালনের মহান দায়িত্বের মধ্যে আজ আর তারা আবদ্ধ নেই।
'লজ্জা' শব্দটির মাথায় পদাঘাত করেই তারা বের হয়ে এসেছে রাস্তাঘাটে,হোটেলে,রেস্তারায় হাটে ও বাজারে।স্বামীর চোখে ধুলো দিয়ে, শরীয়তের বিধান লংগন করে।বাপ মার স্নেহ মায়া পরিত্যাগ করে নতুন বন্ধুর হাতে হাত ধরে যৌনকামনা পরিতৃপ্ত করেছে।এই কি প্রগতি?প্রগতির অর্থ যদি এই হয় তাহলে এইই প্রগতির মাথায় লাথি মেরে চিরজীবনের জন্যই একে বিসর্জন দিয়ে অধোগতির পথ বেছে নেওয়াই শ্রেষ্ঠ। নারীকে আজ যে স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে,যে প্রগতির পথে তাদের তুলে দেয়া হচ্ছে সে পথ তাদের আলোর পথ নয়।
সে পথ উদ্দেশ্যহীন।সে পথ কণ্টকপূর্ণ। সে পথ অন্ধকারের পথ।
অত্যাধুনিক পরিবারে মেয়েরা স্বামীর কাছে কোলের শিশুকে রেখে ভ্যানিটিব্যাগ হাতে মার্কেটিংয়ের নাম করে বের হয়।আর নতুন বন্ধুর স্বাদ আস্বাদন করে রুক্ষ মেজাজে ঘরে ফেরে। শুধু কি তাই?বোকা স্বামীকে ছেলের যত্ন ভাল হয়নি বলে অযথা গালাগালি দিয়ে নিজের দোষ গোপন রাখে আর পরবর্তী সুযোগের অপেক্ষা করে।
যারা আজ নিজের কর্তব্যককে ভুলে যায় তারা নিজের মাথায় কুঠারাঘাত করে। যারা বিশ্ব নিয়ন্তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করে তারা নিজের গলাতেই নিজে ফাসি ঝুলায়।যারা সমাজের শাসনকে অবহেলা করে ও বিবেকের বাধনকে টুটে ফেলে তারাই অন্যের গলায় চুরি বসায়।
যৌন প্রবৃত্তির তাগিদে যারা উন্মুক্ত প্রান্তরে নেমে আসে তারাই সমাজের জন্য সর্বনাশ ডেকে আনে, নারীরা আজ যে স্বাধীনতার আওয়াজ তুলছে
সে স্বাধীনতা সমাজের জন্য, দেশের জন্য,নিজের পরিবারের জন্য। এবং সর্বশেষ নিজের আত্মার জন্য কলঙ্কজনক।
নারী চায় যৌন কদাচারের স্বাধীনতা, নারী চায় বেশভূষা ও উলঙ্গের স্বাধীনতা।প্রগতিশীল নারীর এই দাবী।
এটি তাদের আওয়াজ।অন্যথায় সমাজ তাদের যে স্বাধীনতা দিয়েছে সেই স্বাধীনতাই তাদের জন্য যতেষ্ট।
আজ নারীকে জন্মের পর গলাটিপে হত্যা করা হয়না।নারী সন্তানকে জীবন্ত প্রোথিত করা হয়না।নারীকে মৃত্য স্বামীর সাথে সহমরণে যেতে হয়না।নারীকে শিক্ষায় পশ্চাদপদ রাখার পথে অন্তরায় সৃষ্টি করা হয়না।নারীকে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি হতে বঞ্চিত করা হয়না।নারীকে বনবাসে পাঠিয়ে বাঘ ভাল্লুকের মুখে তুলে দেয়া হয়না।
পার্থক্যের মধ্যে এই যে পুরুষ বহির্জগতের জন্য। আর নারী অন্তর্জগতের জন্য। পুরুষ জ্ঞান সাধনা ও কঠোর ব্রতের জন্য নারী সংসার চালনা ও প্রেমের জন্য।
পুরুষ বিপ্লবের জন্য,আর নারী সাম্যের জন্য।পুরুষ উপার্জনের জন্য।আর নারী গঠনের জন্য।
নারীর আবরণ তার পর্দায়।
নারীর সৌন্দর্য তার লজ্জায়।
নারীর বাহাদুরি তার ঔরসজাত সন্তান উৎপাদনে।
নারী তার এই বিশিষ্ট গুণাবলী হারালেই তাকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়।তখন তার আকর্ষণ আর আকর্ষন থাকেনা, হয় বিকর্ষণ।
পর্দার আবরণ দূরে ঠেলে দিয়ে যদি নারী নগ্নতার আশ্রয় নেয় তাহলে তাকে প্রগতি না বলে অধোগতি ই বলতে হবে।
যে নারী তার আত্মমর্যাদা বুঝে,যে তার সৃষ্টির রহস্য বুঝে,যে তার কর্তব্য পালনে জ্ঞানশীলা হয়।
সে নারী কখনই তার বিবেবকে জলাঞ্জলি দিবেনা।
পশ্চিমা সভ্যতা।
পশ্চিমারা আজ সভ্য।
এটি তাদের দাবী,পৃথিবীও আজ তাদের সেই দাবীর সাথে সহমত পোষণে ব্যস্ত,প্রাচ্যের বিপদগামি মননে তাদের চিন্তায় ভরপুর,
পশ্চিমাদের আদলে তাদের মত করে সমাজ বিনির্মাণ করতে,উন্মাদ পাগলের প্রলাপে, অন্ধত্ব বরণে, প্রায়াশ প্রচার সব কিছুতেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
পশ্চিমারা আসলেই কি সভ্য?
নারীবাদ কি সেখানে পুরোটাই নিরাপদ? তাদের কালচার তা কি গ্রহণযোগ্য?কিঞ্চিৎ পরিষরে তাদের কিছু নগ্ন কালচার দেখবো।
১। প্রতি বছর ১০ই জানুয়ারী পশ্চিমা দেশগুলো নো-প্যান্ট ডে পালন করে। এই দিনে পশ্চিমা তরুণ-তরুণীরা পাতাল রেলে প্যান্ট খুলে ঘোরাফেরা করে। এটাই তাদের সভ্যতার লক্ষণ।
২।পশ্চিমাদেশগুলো পুরুষরা স্পার্ম বা বীর্য বিক্রি করে। এই তো কিছুদিন আগে এক ব্রিটিশ পুরুষ জানালো তার বীর্যে এ পর্যন্ত ৮০০ সন্তানের জন্ম হয়েছে। বিষয়টা অনেকটা খামারের পাঠা ছাগলের মত, সমস্ত ছাগীদেরকে একটি পাঠা দিয়ে নিষিক্ত করা হয়। সুত্রঃ ৩। ইউরোপ-আমেরিকায় সারগোরেট মাদার বা গর্ভ ভাড়া দেওয়ার কালচার প্রবল। বিষয়টি সেখানে এরকম যে, পুত্র ও পুত্রবধূর নিষিক্ত সন্তান মা তার তার গর্ভে স্থান দেয়, খবরে আসে- “নাতীকে জন্ম দিলো দাদী” কিংবা নাতীকে জন্ম দিলো নানী। তাদের দৃষ্টিতে পুত্রের সন্তান নিজ গর্ভে অবস্থান দেওয়া সভ্যতাই অংশ।
৪।পৃথিবীর সবচেয়ে ধর্ষণ পীড়িত রাষ্ট্র কিংবা নারীর প্রতি যৌন হয়নারী মূলক রাষ্ট্রের শীর্ষ ১০ তালিকায় একটিও মুসলিম রাষ্ট্র নেই। অথচ সভ্যতার দাবিদার পশ্চিমাদের মধ্যে নারী নির্যাতনের মাত্রা পৃথিবীর সর্বাধিক। জরিপ বলছে- নারী ধর্ষণে সবচেয়ে এগিয়ে প্রথম অবস্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয়তে সুইডেন, পঞ্চম ব্রিটেন, ষষ্ঠ জার্মানি, সপ্তম ফ্রান্স, অষ্টম কানাডা।
৫) ইউরোপ আমেরিকার অনেক এলাকায় এখন পরিবারের নিকট আত্মীয়দের মধ্যে সেক্স বা ইনসেস্টকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। এতে কন্যা-বাবা, মা-ছেলে কিংবা ভাই-বোন নিজেদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে, যা আইনত বৈধ। ইনসেস্ট আইনত বৈধ এমন দেশগুলো হলো ফ্রান্স, পর্তুগাল, স্পেন, বেনেলাক্স, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি। এবার আপনি বলুন ইনসেস্ট
৬) পশুর সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন। যেমন কুকুর, গাধা, ঘোড়া ইত্যাদির সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা ইউরোপ-আমেরিকার অনেক দেশে আইনত বৈধ, শুধু তাই নয় সেগুলো নিয়ে পর্নোগ্রাফী তৈরী করে সেগুলো বাজারজাতকরণও বৈধ। এ তালিকায় আছে যুক্তরাষ্ট্র
(নির্দ্দিষ্ট স্টেট), ফিনল্যান্ড, জার্মানি,মেক্সিকো, রুমানিয়া ও ডেনমার্ক।
৭) লাশের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন ! শুনতে গা শিরশির করলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানাসহ ৪টি স্টেটে লাশের সাথে সেক্স করা আইনত বৈধ।আমরা কি তাহলে এমন সমাজ চাই?চাই এমন নিত্ত উলঙ্গ যৌন প্রিয় জাতি?আমরা কি চাই এমন কৃষ্টিকালচার?চাইনা সমাজের বিবর্তনে পশ্চিমাদের কালচার,যারা সমাজের কীট এক নর্তকী, তারা কি সভ্য?তাদের সভ্যতা আমাদের কাছে অসভ্যই।
যা সুস্থ বিবেক অসভ্যের দাবী জানাবে।নারীরা যুগে যুগে ছিলো অবহেলিত, লাঞ্চিত,নিপীড়িত ও পৈতৃক সম্পত্তি হতে বঞ্চিত।আল্লাহ তাদের অধিকার দিলেন,নবী মোহাম্মদ তা ঘোষণা করলেন,তবে সর্বকালের জন্য পুরুষকে দিলেন শ্রেষ্টত্ব,দায়িত্ববার দিলেন পুরুষের উপরই বেশি।পুরুষকেই কঠিন পরিশ্রমের কথা শিক্ষা দিলেন,নারীর মোহ ও মায়াজালে বেষ্টিত হয়ে যে পুরুষ নিজ সত্তাকে হারিয়ে ফেলে, সে পুরুষ ধিকৃত,লাঞ্চিত অবহেলিত।, সে অধঃপতিত না হয়ে কি আর পারে।
হে তারুণ্যঃকোথায় যাচ্ছ?
চারিদিকে এক ভয়ংকর বিষাক্ত পরিবেশে, কোথায় ছুটছে তরুণেরা, তরুণীরা তোমরাতো সমাজের অংশ, সমাজের শক্তি,তাহলে কেন আজ পণ্যে পরিণত হচ্ছে,সুন্দরী আর মডেলিং করে প্রতারিত নয় কি তুমি,?
অবাক! তুমি তরুণী তাহলে ড্রাগ নিয়ে চলছ কেন?
মদের পাত্রে কেন মোহে।
কেন তুমি গডফাদারদের
পন্যে নিমজ্জিত।
ডিশের করাল গ্রাশে তুমি যে নেকড়ে হয়ে যাচ্ছ।
বোন তুমি ভাবো!তুমি একজন "মা"
এটি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপাধি।তুমি যদি ধ্বংসী হও!পৃথিবী কিভাবে সুস্থ থাকবে?



No comments
hi freinds